নওগাঁর সাপাহার উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে নারী ও শিশুসহ মোট নয়জন নাগরিককে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তাৎক্ষণিক ও কঠোর নজরদারির কারণে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে এবং তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারেনি। বর্তমানে ওই ব্যক্তিরা দুই দেশের মধ্যবর্তী শূন্যরেখায় বা নো ম্যানস ল্যান্ডে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন।
আজ বুধবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার আদাতলা সীমান্তের ২৪৪ নম্বর মেইন পিলারের কাছাকাছি এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) সদরদপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের ২৯ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন এলেনপুর ক্যাম্পের জওয়ানরা ওই নয়জনকে জোরপূর্বক বাংলাদেশের সীমানার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত তৎপরতার খবর পাওয়া মাত্রই আদাতলা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। বিজিবি সদস্যরা তাদের অবস্থান শনাক্ত করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশে সরাসরি প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন। ভুক্তভোগী ওই দলটিতে তিনজন পুরুষ, তিনজন নারী এবং তিনটি শিশু রয়েছে বলে জানা গেছে, যারা এখন ভারতীয় সীমান্তের কাঁটাতারের বাইরে শূন্যরেখায় অবস্থান করছে।
নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আরিফুল ইসলাম মাসুম এই বিষয়ে জানান, ঘটনার পর পরই সীমান্তজুড়ে বিজিবির টহল ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো মূল্যে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং কাউকে অবৈধভাবে দেশের সীমানায় ঢুকতে দেওয়া হবে না।