সোমবার, 12 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

নোয়াখালীর সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন সৌম্য

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চলতি আসরে অভিষেক মৌসুমেই চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘নোয়াখালী এক্সপ্রেস’। টানা ছয় ম্যাচে হারের তিক্ত স্বাদ পাওয়া দলটির এমন পারফরম্যান্সে হতাশ হাজারো সমর্থক। বিশেষ করে প্রিয় দলকে সমর্থন দিতে নোয়াখালী থেকে সিলেট পর্যন্ত পাড়ি দেওয়া দর্শকদের খালি হাতে ফেরায় ব্যথিত দলের অভিজ্ঞ ওপেনার সৌম্য সরকার। সমর্থকদের এই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে না পেরে তাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।

নোয়াখালীর সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন সৌম্য
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চলতি আসরে অভিষেক মৌসুমেই চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘নোয়াখালী এক্সপ্রেস’। টানা ছয় ম্যাচে হারের তিক্ত স্বাদ পাওয়া দলটির এমন পারফরম্যান্সে হতাশ হাজারো সমর্থক। বিশেষ করে প্রিয় দলকে সমর্থন দিতে নোয়াখালী থেকে সিলেট পর্যন্ত পাড়ি দেওয়া দর্শকদের খালি হাতে ফেরায় ব্যথিত দলের অভিজ্ঞ ওপেনার সৌম্য সরকার। সমর্থকদের এই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে না পেরে তাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।

বিপিএলের এই আসরে শেষ মুহূর্তে যুক্ত হওয়া নোয়াখালীকে নিয়ে জেলাবাসীর উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। নিলামের আগে সৌম্য সরকার, হাসান মাহমুদ, কুশল মেন্ডিস ও জনসন চার্লসের মতো তারকাদের দলে ভেড়ানোয় বড় কিছুর স্বপ্ন দেখেছিলেন সমর্থকরা। কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে এর প্রতিফলন দেখা যায়নি। চোটের কারণে কুশল মেন্ডিসের অনুপস্থিতি, জনসন চার্লসের না থাকা এবং ব্যক্তিগত কারণে সৌম্যর কিছু ম্যাচ মিস করা—সব মিলিয়ে খেই হারিয়ে ফেলেছে দলটি। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে মাঠে আসা সমর্থকদের নিরাশ হতে দেখে সৌম্য সরকার বলেন, “আমাদের সমর্থকদের জন্য সত্যিই খারাপ লাগে। তারা এত কষ্ট করে খেলা দেখতে আসে। আমরা চেষ্টা করছি তাদের খুশি করতে, কিন্তু পারছি না। এই জায়গা থেকে তাদের কাছে আমাদের ‘সরি’।”

দলের টানা ব্যর্থতার নেপথ্যে ব্যাটিং বিপর্যয়কেই প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করতে গিয়ে তিনি জানান, প্রায় প্রতিটি ম্যাচেই পাওয়ার প্লে বা প্রথম ছয় ওভারের মধ্যে তিন থেকে চারটি উইকেট হারিয়ে ফেলছে দল। শুরুর এই ধাক্কা সামলে বড় সংগ্রহ গড়া সম্ভব হচ্ছে না।

তবে দলের খেলোয়াড়দের মানসিকতা নিয়ে এখনো ইতিবাচক সৌম্য। তিনি যোগ করেন, “শেষ কয়েকটি ম্যাচে সবাই ম্যাচ জেতার জন্য মরিয়া, নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু কোনো কারণে আমরা একসঙ্গে ক্লিক করতে পারছি না।” টানা হারের বৃত্ত ভেঙে জয়ের দেখা পাওয়া এবং সমর্থকদের দীর্ঘ যাত্রার কষ্ট সার্থক করাই এখন নোয়াখালী এক্সপ্রেসের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।