বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

নোয়াখালীতে কিশোরদের হামলায় কৃষক দল নেতা নিহত

নোয়াখালী সদর উপজেলায় কিশোরদের অতর্কিত হামলায় মো. সেলিম (৫০) নামের এক স্থানীয় কৃষক দল নেতা প্রাণ হারিয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দাদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের গৌরিপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত সেলিম ওই গ্রামের মৃত মো. শাহজানের সন্তান এবং স্থানীয় ৪নং ওয়ার্ড কৃষক দলের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জনক।

নোয়াখালীতে কিশোরদের হামলায় কৃষক দল নেতা নিহত
ছবিঃ সংগৃহীত

নোয়াখালী সদর উপজেলায় কিশোরদের অতর্কিত হামলায় মো. সেলিম (৫০) নামের এক স্থানীয় কৃষক দল নেতা প্রাণ হারিয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দাদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের গৌরিপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত সেলিম ওই গ্রামের মৃত মো. শাহজানের সন্তান এবং স্থানীয় ৪নং ওয়ার্ড কৃষক দলের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জনক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেলিমের ছেলে অন্তরের সঙ্গে একই এলাকার সজল, শাওন, ফাহাদ ও রিয়াজসহ কয়েকজন কিশোরের বিরোধ চলছিল। শনিবার দুপুরে মোবাইল ফোনে অন্তর ও সজলের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে সন্ধ্যায় সজল তার সহযোগীদের নিয়ে সেলিমের বাড়ির সামনে এসে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অন্তরের বড় ভাই শাকিল বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। শোরগোল শুনে নিজের দোকান থেকে ছেলেদের রক্ষা করতে ছুটে আসেন সেলিম। ওই সময় কিশোররা তাকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর ও মাথায় গুরুতর আঘাত করলে তিনি অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের বড় ছেলে শাকিল অভিযোগ করেছেন, পূর্ব বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তার বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন জানান, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের হাত থেকে সন্তানদের বাঁচাতে গিয়েই তার ভাই প্রাণ দিয়েছেন। দাদপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতিও এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।

হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রাত ৯টার দিকে সেলিমকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে দুই পক্ষের মারামারির সময় আঘাত পেয়ে সেলিম মারা যান। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।