সোমবার, 12 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

অপারেশন ডেভিল হান্ট: ১৫ জানুয়ারির পর আরও তীব্র হবে অভিযান

সন্ত্রাস দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে চলমান অভিযানে আরও গতি আসবে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তাঁর ভাষ্য, অপকর্ম করে কোনো গোষ্ঠী বা দলের পার পাওয়ার সুযোগ নেই। ডেভিল হান্ট ফেজ-টু অভিযানে ইতোমধ্যে দুই শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে এবং যৌথ বাহিনীর অভিযান আরও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১৫ জানুয়ারির পর থেকে এই তৎপরতা আরও বাড়বে বলে তিনি জানান।

অপারেশন ডেভিল হান্ট: ১৫ জানুয়ারির পর আরও তীব্র হবে অভিযান

সন্ত্রাস দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে চলমান অভিযানে আরও গতি আসবে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তাঁর ভাষ্য, অপকর্ম করে কোনো গোষ্ঠী বা দলের পার পাওয়ার সুযোগ নেই। ডেভিল হান্ট ফেজ-টু অভিযানে ইতোমধ্যে দুই শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে এবং যৌথ বাহিনীর অভিযান আরও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১৫ জানুয়ারির পর থেকে এই তৎপরতা আরও বাড়বে বলে তিনি জানান।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে আইনশৃঙ্খলা সেলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার।

সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, জেলা পুলিশ সুপার নাজির আহমদ খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নির্বাচন প্রসঙ্গে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। বরং ভোটাররা ভোট দিতে আগ্রহী হয়ে ভোটকেন্দ্রের দিকে তাকিয়ে আছেন। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের দায়িত্ব সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করা। অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধে সাংবাদিকরা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, অপতথ্য ছড়ানো যেমন অপরাধ, তেমনি অপতথ্য শেয়ার করাও অপরাধ—এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যৌথ বাহিনী যে অপারেশনগুলো পরিচালনা করছে, সেগুলোর তথ্য অপারেশনের পর গণমাধ্যমে জানাতে হবে, যাতে কোনো গোষ্ঠী বা দল অপকর্ম করে পার পাওয়ার আশা না করে। তাদের জানতে হবে—অপরাধ করলে ধরা পড়তে হবে। অপকর্ম স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না; তা জাতীয় ইস্যুতে পরিণত হবে।

ইসি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। মোটামুটি ৮৫ শতাংশের কাছাকাছি অস্ত্র উদ্ধার হলেও আনুমানিক ১৫ শতাংশ এখনও উদ্ধার করা যায়নি। এসব অস্ত্র খুঁজে বের করা প্রয়োজন। শতভাগ উদ্ধার সম্ভব—এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। তবে যারা অস্ত্র নিয়েছে তাদের শনাক্ত বা অস্ত্র উদ্ধার করা গেলে মানুষের আস্থা বাড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

চট্টগ্রামের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, এই অঞ্চলে সংখ্যালঘুদের বসবাস রয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল সংখ্যালঘুদের নিয়ে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করতে পারে—আগেও এমন নজির আছে। এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্ত পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পভিত্তিক কিছু কর্মকাণ্ড নিরাপত্তার জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।