আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে পরিবহনগুলোতে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। ঈদ এলেই পরিবহন মালিক, শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ আসে। এবারের ঈদ যাত্রায়ও নেই ব্যতিক্রম। যদিও মাত্র এক মাস পূর্বে গঠিত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের দায়িত্বশীলদের পক্ষ থেকে ধারাবাহিকভাবে বলা হয়েছিল, ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোথাও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হবে না।
বুধবার (১৮ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে যাত্রী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই ঈদে শুধু বাস ও মিনিবাসে অতিরিক্ত ভাড়া হিসেবে যাত্রীদের কাছ থেকে ১৪৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে দূরপাল্লার বাস-মিনিবাসে প্রায় ৪০ লাখ ট্রিপ এবং সিটি সার্ভিসে আরও প্রায় ৬০ লাখ ট্রিপ যাত্রী যাতায়াত করতে পারে। গত ১৪ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত মাঠ পর্যায়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৮৭ শতাংশ বাস ও মিনিবাসেই সরকারি চার্ট অমান্য করে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
তবে আজ ১৯ মার্চ সড়ক পরিবহন এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদে সামনে যাত্রী কল্যাণ সমিতির অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দুটি ট্রেন ছাড়া বাকি ট্রেনগুলো চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঈদ যাত্রার সামগ্রিক অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এবং ঈদের পর পুরো ব্যবস্থার মূল্যায়ন করা হবে।