আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় যদি কোনো শিক্ষার্থীর কাছে নকলের আলামত পাওয়া যায়, তবে তাকে সরাসরি আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি করা হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
এর পাশাপাশি কোনো পরীক্ষাকেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বনের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান কিংবা কেন্দ্র সচিবকেও ছাড় দেওয়া হবে না, বরং তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আজ বুধবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে সামনে রেখে ঢাকা, ময়মনসিংহ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এই কড়া নির্দেশনা দেন।
শিক্ষামন্ত্রী সভায় অংশ নিয়ে বলেন, আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া এই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে এর সাথে যুক্ত কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পরীক্ষকদের খাতা মূল্যায়নের যথার্থতা নিশ্চিত করার জন্য এবার দৈবচয়ন বা এলোমেলো পদ্ধতিতে উত্তরপত্র পুনরায় পরীক্ষা করে দেখা হবে। যদি কোনো পরীক্ষক সঠিকভাবে খাতা মূল্যায়ন না করেন কিংবা মূল্যায়নে কোনো ধরনের অবহেলা ও অনিয়মের প্রমাণ মেলে, তবে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মতবিনিময় সভার শেষভাগে শিক্ষামন্ত্রী একটি নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে বলেন, ২০২৭ সাল থেকে এসএসসি পরীক্ষা বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারি মাসেই আয়োজন করা হবে। একই সাথে তিনি উল্লেখ করেন যে, জাতীয় সংসদে পুরোনো পরীক্ষা সংক্রান্ত আইনটি সংশোধন করে বর্তমান যুগের বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হয়েছে।