শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

'সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে বিজেপি বিধায়ক কেনার চেষ্টা করবে'

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ফলাফল নিয়ে তীব্র বিশ্লেষণ ও পাল্টাপাল্টি দাবি। দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস উভয় শিবিরই নিজেদের জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করছে।

'সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে বিজেপি বিধায়ক কেনার চেষ্টা করবে'

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ফলাফল নিয়ে তীব্র বিশ্লেষণ ও পাল্টাপাল্টি দাবি। দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেস উভয় শিবিরই নিজেদের জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেছেন, প্রথম দফার ১৫২টি আসনের মধ্যে বিজেপি ১১০টির বেশি আসন পাবে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের দাবি, তারা ১৩০টিরও বেশি আসনে জয়ী হবে।

এদিকে সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, দুই-তৃতীয়াংশ আসন না পেলে বিজেপি বিধায়ক কেনাবেচার মাধ্যমে সরকার ফেলার চেষ্টা করতে পারে।

তিনি ভোট প্রচারে বলেন, “আমাদের সরকারই আসছে, আপনারা জানেন। আর সে ক্ষেত্রে পার্টির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আমাকেই সরকার লিড করতে হবে। কিন্তু দুই-তৃতীয়াংশ আসন যদি আমরা না পাই, তাহলে বিজেপি বসে আছে, বিধায়কদের কিনতে। যেভাবে ওরা মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশে সরকার করেছে।”

তিনি আরও আহ্বান জানিয়ে বলেন, “তাই আমার আবেদন, যে ১৪২টি আসনে পরদিন ভোট আছে, আপনারা তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীদের ভোট দিতে বিপুল আসনে জয়ী করুন।”

প্রায় দেড় মাসব্যাপী প্রচার শেষে শেষ মুহূর্তে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে একাধিক রোড শো ও জনসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ডা. রাজেন্দ্র ও জাস্টিস দ্বারকানাথ রোড এলাকায় অনুষ্ঠিত জনসভায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ অংশ নেন।

তিনি দাবি করেন, “আমাদের সরকারই আসছে, আপনারা জানেন। আর সে ক্ষেত্রে পার্টির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাকেই সরকার লিড করতে হবে। কিন্তু দুই-তৃতীয়াংশ আসন যদি আমরা না পাই, তাহলে বিজেপি বসে আছে বিধায়কদের কিনতে। যেভাবে ওরা মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশে সরকার করেছে। তাই আমার আবেদন, যে ১৪২টি আসনে পরদিন ভোট আছে, আপনারা তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীদের ভোট দিতে বিপুল আসনে জয়ী করুন।”

এবারের নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রকে সবচেয়ে আলোচিত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে মুখোমুখি রাজনৈতিক লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে।

অন্যদিকে বিজেপি শিবির পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী হলেও এখনও পর্যন্ত তারা কোনো মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করেনি। ফলে ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও জল্পনা অব্যাহত রয়েছে।

তৃণমূল সমর্থকদের মতে, জয় নিশ্চিত হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন—এটি এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।