জুলাই অভ্যুত্থানের উত্তাল দিনগুলোতে রাজপথে সক্রিয় থেকে সাধারণ মানুষের নজরে এসেছিলেন তিনি। বিভিন্ন সামাজিক ও জাতীয় ইস্যুতে বরাবরই নিজের জোরালো অবস্থানের জন্য প্রশংসিত হলেও সরাসরি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকার পরিচয় এত দিন ছিল না তার। তবে চলতি সপ্তাহে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেন তিনি। বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হওয়ার দৌড়ে শামিল হয়ে তিনি এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন।
দলীয় মনোনয়ন পেতে তার ফরম সংগ্রহের বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। যদিও শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত তালিকায় তার নাম ওঠেনি, তবুও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সব মহলেই তাকে নিয়ে চর্চা অব্যাহত রয়েছে। মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে অনেক গুঞ্জন থাকলেও তিনি নিজে একে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন।
ব্যক্তিগতভাবে কোনো ক্ষোভ বা আক্ষেপ পোষণ না করে দলের সিদ্ধান্তকে হাসিুমখেই গ্রহণ করেছেন তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ না পেলেও তার এই পদক্ষেপ জনমনে বিশেষ প্রভাব ফেলেছে। মূলত আদর্শিক লড়াইয়ে রাজপথে থাকা একজন প্রতিবাদী মানুষের রাজনৈতিক এই সক্রিয়তাকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।