সরকারি উদ্যোগে চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নানামুখী তৎপরতা চালানো হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় একটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ জানান, জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে বর্তমান প্রশাসন বদ্ধপরিকর। এর পাশাপাশি গ্রামীণ পরিবেশ রক্ষা ও নাগরিক সুবিধা বাড়াতে পৌরসভার ঢোলভাঙ্গা নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে এনে তীরবর্তী এলাকায় খুব দ্রুতই দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে বা হাঁটার রাস্তা তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
হাসপাতালটির বর্তমান চিকিৎসা পরিস্থিতি ও সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শনের সময় বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার প্রশাসক রবিউল হাসান ভূইয়া এবং থানার তদন্ত কর্মকর্তা আবু সাইদসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া চিকিৎসকদের একটি প্রতিনিধি দল, গণমাধ্যমকর্মী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছালে মুছা, ভিপি মজিব, সালাউদ্দিন আহমেদ বাসু এবং গণসংহতি আন্দোলনের উপজেলা সমন্বয়ক শামীম শিবলী ও মাহবুবুল হক কাইয়ুমসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এই পরিদর্শনে অংশ নেন।
হাসপাতালের সার্বিক অগ্রগতি ও নতুন সুবিধার কথা উল্লেখ করে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার রঞ্জন বর্মন জানান, সম্প্রতি এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নতুন দুজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যোগদান করেছেন। এর মধ্যে অ্যানেসথেসিয়া বিভাগে ডা. মো. হাবিবুর রহমান এবং গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যায় ডা. সুষ্মিতা সাহা দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন। এই দক্ষ চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্তির ফলে এখন থেকে এই সরকারি হাসপাতালেই নিয়মিতভাবে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে নিরাপদ সন্তান প্রসবের সুবিধা পাবেন স্থানীয় রোগীরা।