বুধবার, 21 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

‘তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই’

শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানুষের মধ্যে শক্তিশালী সামাজিক সেতুবন্ধ তৈরিতে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামিতা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলাকে শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, সরকার সারা দেশে খেলার মাঠ দখলমুক্ত করা এবং নতুন মাঠ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

‘তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই’
ছবিঃ সংগৃহীত

শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানুষের মধ্যে শক্তিশালী সামাজিক সেতুবন্ধ তৈরিতে খেলাধুলার ভূমিকা অপরিসীম বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামিতা থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলাকে শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, সরকার সারা দেশে খেলার মাঠ দখলমুক্ত করা এবং নতুন মাঠ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

সোমবার রংপুরে আয়োজিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, ক্রীড়াঙ্গনকে গতিশীল করতে সরকার ইতিমধ্যে ১২৯ জন খেলোয়াড়কে নিয়মিত মাসিক ভাতা ও বিশেষ ক্রীড়া কার্ড প্রদান করেছে। এছাড়া আরও ৫০০ জন ক্রীড়াবিদের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে, যারা শীঘ্রই এই সুবিধার আওতায় আসবেন। তিনি আরও ঘোষণা করেন যে, তৃণমূল পর্যায় থেকে উদীয়মান প্রতিভা খুঁজে বের করতে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের জন্য সাতটি ইভেন্টে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ নামক একটি বিশেষ কার্যক্রম জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে চালু করা হচ্ছে।

আমিনুল হক তার বক্তব্যে খেলাধুলাকে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ক্রীড়াঙ্গন এমন এক স্থান যেখানে কোনো ভেদাভেদ নেই। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে একটি রাজনীতিমুক্ত ও পেশাদার ক্রীড়া পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান। দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি ক্রীড়াবান্ধব রাষ্ট্র গড়ে তোলার ওপরও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

রংপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া অফিসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. রমিজ আলম। সভায় জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মাসুদ রানা, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়, যা শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে।