বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

উপসাগরীয় অঞ্চলে ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও ড্রোন হামলার হুমকি মোকাবিলায় উপসাগরীয় দেশগুলোতে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, 'র‍্যাপিড র‍্যাঞ্জার' নামের এই স্বল্প পাল্লার সিস্টেমটি প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও দ্রুতগতির ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম।

উপসাগরীয় অঞ্চলে ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য
ছবিঃ সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও ড্রোন হামলার হুমকি মোকাবিলায় উপসাগরীয় দেশগুলোতে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, 'র‍্যাপিড র‍্যাঞ্জার' নামের এই স্বল্প পাল্লার সিস্টেমটি প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও দ্রুতগতির ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম।

শুক্রবার সকালে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে এক ফোনালাপে এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে একই ধরনের আরেকটি সিস্টেম সৌদি আরবেও পাঠানো হচ্ছে, যা দেশটির বিদ্যমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করবে।

এদিকে, ইরানের আকাশসীমায় একটি অত্যাধুনিক মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজের বরাতে জানা গেছে, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আঘাতে বিমানটি ধ্বংস হয়। গত ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে এটি দ্বিতীয় মার্কিন যুদ্ধবিমান যা তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করছে তেহরান। বিমানটি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হওয়ায় এর পাইলটের ভাগ্যে কী ঘটেছে, সে সম্পর্কে এখনও কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতাসহ শীর্ষ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই সংঘাতের সূত্রপাত। ইরানের দাবি অনুযায়ী, এরপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করেছে, যার প্রতিক্রিয়ায় তারা নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতা প্রদর্শন করছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলে এই পাল্টাপাল্টি সামরিক অবস্থান বৈশ্বিক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।