বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে রাজশাহী অভিমুখী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস নামের ট্রেনটি মোবারকগঞ্জ স্টেশনে এসে পৌঁছানোর পরপরই চালক সেখান থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যান।
উপস্থিত ভ্রমণকারীদের দেওয়া বিবরণী থেকে জানা গেছে, প্রায় আধা ঘণ্টার মতো সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর চালকের অনুপস্থিতির বিষয়টি জানাজানি হলে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে যাত্রীরা প্ল্যাটফর্মে নেমে এসে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং স্টেশন মাস্টারের কক্ষে গিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে উদ্ভূত বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে কালীগঞ্জ থানা থেকে পুলিশের একটি দল দ্রুত সেখানে গিয়ে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে। শেষ পর্যন্ত প্রায় দেড় ঘণ্টার কাছাকাছি সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর চালকের দেখা মেলে। যদিও কোনো বিশেষ পরিস্থিতির কারণে তিনি এভাবে উধাও হয়েছিলেন, তা পরিষ্কার জানা যায়নি।
পুরো ঘটনা নিশ্চিত করে মোবারকগঞ্জ স্টেশনের দায়িত্বরত কর্মকর্তা শাহজাহান আলী জানান, খুলনা অঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা সাগরদাঁড়ি ১৬১ আপ ট্রেনটি সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটে তাদের স্টেশনে এসে পৌঁছায়। প্রথা অনুযায়ী নির্ধারিত দুই মিনিট বিরতি শেষে ট্রেন চলাচলের সংকেত দেওয়া সত্ত্বেও ট্রেনটি চলতে শুরু করেনি। তখন চালকের আসনে গিয়ে দেখা যায়, ইঞ্জিনের সব দরজা ভেতর থেকে আটকানো এবং যানটি সম্পূর্ণ বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। এর পরপরই চালককে উদ্ধারে তোড়জোড় শুরু হয়। দীর্ঘ এক ঘণ্টারও বেশি সময় অতিবাহিত হওয়ার পর চালক স্বস্থানে ফিরে আসেন এবং ট্রেন চলাচলের জন্য প্রস্তুত করেন। শেষমেশ সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে ট্রেনটি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে মোবারকগঞ্জ ত্যাগ করে।