মঙ্গলবার, 3 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, মজুত জানতে লাগবে আরও কয়েক দিন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় নতুন একটি অনুসন্ধান কূপে গ্যাসের প্রবাহ শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। উপজেলার রামপুর ইউনিয়নে খনন করা ‘সুন্দলপুর সাউথ-১’ কূপটিতে ড্রিল স্টিম টেস্ট (ডিএসটি) পরীক্ষায় গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কূপের পাইপের মুখে আগুন জ্বালিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে গ্যাসের প্রবাহ নিশ্চিত করা হয়।

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, মজুত জানতে লাগবে আরও কয়েক দিন
ছবি: সংগৃহীত

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় নতুন একটি অনুসন্ধান কূপে গ্যাসের প্রবাহ শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। উপজেলার রামপুর ইউনিয়নে খনন করা ‘সুন্দলপুর সাউথ-১’ কূপটিতে ড্রিল স্টিম টেস্ট (ডিএসটি) পরীক্ষায় গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কূপের পাইপের মুখে আগুন জ্বালিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে গ্যাসের প্রবাহ নিশ্চিত করা হয়।

বাপেক্সের সুন্দলপুর সাউথ-১ অনুসন্ধান কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক নতুন কূপে গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১২ জুলাই কূপটির খননকাজ শুরু হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৩ হাজার ২৯০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত খনন সম্পন্ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৫৫১ থেকে ২ হাজার ৫৫৭ মিটার গভীরতার স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক বলেন, সোমবার দুপুর ১২টার পর কূপে পরীক্ষামূলকভাবে আগুন জ্বালিয়ে ডিএসটি পরীক্ষা চালানো হয়। পরীক্ষায় গ্যাসের প্রবাহ নিশ্চিত হয়েছে। তবে কূপটিতে মোট কী পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে এবং প্রতিদিন কতটুকু গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে, তা জানতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগবে। এ জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা চালানোর পাশাপাশি প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

কূপটিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাসের মজুত পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী প্রকল্প পরিচালক। তিনি জানান, গ্যাসের বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর দ্রুত পাইপলাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাইপলাইনের সংযোগ স্থাপন করা গেলে এখান থেকে উত্তোলিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, নতুন কূপটিতে গ্যাসের সন্ধান পাওয়ায় দেশে ৩১তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এর আগে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর এলাকায় একই গ্যাসক্ষেত্রের আওতায় সুন্দলপুর-১, সুন্দলপুর-২ ও সুন্দলপুর-৩ নামে তিনটি কূপ খনন করা হয়েছিল। নতুন কূপটি একই উপজেলার রামপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। তবে এটি একই ভূগর্ভস্থ গ্যাসক্ষেত্র কাঠামোর অংশ হওয়ায় এর নাম রাখা হয়েছে ‘সুন্দলপুর সাউথ-১’।