সোমবার, 12 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

তারেক রহমানের মানবিকতা ও দেশপ্রেমেই জনগণের স্বপ্ন পূরণ হবে: খন্দকার মারুফ

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃঢ়তা, মানবিকতা, সততা ও দেশপ্রেম জনগণের স্বপ্ন পূরণের নিয়ামক শক্তি। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে কুচক্রী মহলের সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুস্থ ধারার রাজনীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

তারেক রহমানের মানবিকতা ও দেশপ্রেমেই জনগণের স্বপ্ন পূরণ হবে: খন্দকার মারুফ

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃঢ়তা, মানবিকতা, সততা ও দেশপ্রেম জনগণের স্বপ্ন পূরণের নিয়ামক শক্তি। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে কুচক্রী মহলের সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুস্থ ধারার রাজনীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ কোনো অপশক্তি দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। জনগণের প্রতিবাদের ঝড়ে স্বার্থান্বেষী মহলের গভীর ষড়যন্ত্র ও সহিংসতার অপচেষ্টা খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দাউদকান্দি উপজেলার মোল্লাকান্দি লাল মিয়া পাইলট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ‘নবীনবরণ ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. খন্দকার মারুফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের গর্ব ও অহংকার। তিনি জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দূরদর্শী ও দৃঢ়প্রত্যয়ী ভাষণ দিয়ে বিশ্বনেতাদের প্রশংসা পেয়েছেন। ওই ভাষণে জাতীয় স্বার্থ ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা ও অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে। তিনি দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকেও উজ্জীবিত করেছেন।

তিনি বলেন, বিশ্বের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের মধ্যে একমাত্র তারেক রহমান জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে ভাষণ দিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। এতে জাতি হিসেবে আমরা সম্মানিত হয়েছি। এর ফলে আগামী দিনে দেশ ও জনগণের জন্য কল্যাণ বয়ে আসবে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, তারেক রহমান ফ্যামিলি, ফার্মার্স ও ই-হেলথ কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাগুলো সমন্বয় করে ভবিষ্যতে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করছেন। এই কার্ডের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই ব্যাংক বা মোবাইল ওয়ালেটে সরাসরি প্রণোদনা পৌঁছানো যাবে। পাশাপাশি কৃষি ভর্তুকি ও চিকিৎসাসেবা সহজতর হবে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর ফ্যাসিস্ট দলটি যতবারই ক্ষমতায় এসেছে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ততবারই হুমকির মুখে পড়েছে। তারা নিজ দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশের স্বার্থ সংরক্ষণে ব্যস্ত ছিল।

খন্দকার মারুফ বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে এবং শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন হয়। বিএনপি সরকার সব পাবলিক পরীক্ষা নকলমুক্ত করে শিক্ষাক্ষেত্রে অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে। অন্যদিকে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শিক্ষাঙ্গনে সিট দখল, অরাজক পরিস্থিতি তৈরি এবং ঢালাওভাবে পাশের হার বাড়িয়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে সমূলে ধ্বংস করেছে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে তারা কোনো কাজ করেনি।

তিনি বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমান সরকারের শিক্ষাঋণ এবং উচ্চশিক্ষার জন্য বিশেষ সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর এবং ছেলেদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে খন্দকার মারুফ বলেন, তোমরাই আগামী দিনে দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার হবে। দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে। নিজেদের সুশিক্ষিত ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে লেখাপড়ায় অধিক মনোযোগ দিতে হবে। অনাহুত ঘোরাঘুরি ও আড্ডাবাজিতে গা ভাসানো যাবে না।

কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মো. সাইদুল ইসলাম সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ মো. জামাল হোসেন মজুমদার। এ সময় বিএনপি নেতা সাইফুল আলম ভুইয়া, দাউদকান্দি পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পিটার চৌধুরী, ভিপি শাহাবুদ্দিন ভুইয়া, শরীফ চৌধুরী, রোমান খন্দকার, কামাল হোসেন, আবদুল কাদেরসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।