স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে মঙ্গলবার প্রকাশিত বিশেষ এক প্রতিবেদনে এই সংক্রান্ত দৈনিক হালনাগাদ তুলে ধরা হয়।
সংস্থার তরফ থেকে স্পষ্ট করা হয়, নতুন করে যে দুই শিশুর প্রস্থান ঘটেছে তা মূলত হামের শারীরিক লক্ষণভিত্তিক, তবে ল্যাব গবেষণায় নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যু হিসেবে ওই ২৪ ঘণ্টায় কারও তথ্য অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
উল্লেখ্য, পূর্বের হিসাব অর্থাৎ গত ১৫ মার্চ থেকে চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন লক্ষণ নিয়ে সারা দেশে প্রাণ হারিয়েছ ৭৮২ জন শিশু। অপরদিকে ল্যাব পরীক্ষায় সংক্রমিত প্রমাণিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ৯৮ জন। সার্বিকভাবে উভয় তালিকা মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট অকালমৃত্যু ঘটেছে ৮৮০ টি শিশুর।