শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

রিজভী আহমেদ ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ায় মিষ্টি বিতরণ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নীতি নির্ধারণী পর্ষদ জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং কুড়িগ্রামের সন্তান অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের পদে অধিষ্ঠিত করা হয়েছে।

রিজভী আহমেদ ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ায় মিষ্টি বিতরণ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নীতি নির্ধারণী পর্ষদ জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং কুড়িগ্রামের সন্তান অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের পদে অধিষ্ঠিত করা হয়েছে। এই খবর প্রচারিত হতেই তার জন্মভূমিতে বইছে আনন্দের জোয়ার।

পদোন্নতির সংবাদ প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই রাজপথে নেমে আসেন স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ও সমর্থকেরা, মেতে ওঠেন উদযাপনে।


জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান, সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু ও অধ্যাপক হাসিবুর রহমান হাসিবের পরিচালনায় শহরের নানা অংশে মিষ্টি বিতরণ কর্মসূচি পালিত হয়। দাদামোড়, কলেজ মোড়সহ শহরের ব্যস্ততম পয়েন্টগুলোতে সাধারণ মানুষ, খেটে খাওয়া রাজপথের শ্রমজীবী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই মিষ্টি ছড়িয়ে দেয়া হয়।

উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে দলের জেলা আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাজপথের পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতৃত্বকে যথাযথ মর্যাদায় আসীন করেছেন। এই সিদ্ধান্তের জন্য স্থানীয়দের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি আরও যোগ করেন, রিজভী আহমেদ কেবল অঞ্চলের সম্মান নন, তিনি সমগ্র দেশের আস্থার প্রতীক।

পরবর্তী সময়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু মন্তব্য করেন, রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে নির্দিষ্ট অঞ্চলের সীমারেখায় আবদ্ধ করা যায় না; তিনি দেশজুড়ে মানুষের অন্তরে জায়গা করে নিয়েছেন। দীর্ঘ সংগ্রাম, চারিত্রিক দৃঢ়তা ও সংগঠনের প্রতি অবিচল নিষ্ঠার জন্য দেশের আপামর জনগণ তাকে স্মরণ করে। রাজপথের আন্দোলনে তার অবদান অনন্য। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের এই পদক্ষেপকে তিনি সময়োপযোগী এবং রাজনৈতিক শিষ্টাচারের উৎকৃষ্ট দৃষ্টান্ত বলে অভিহিত করেন।

আরেক জ্যেষ্ঠ নেতা অধ্যাপক হাসিবুর রহমান আশা প্রকাশ করেন, অনগ্রসর কুড়িগ্রাম অঞ্চলের অভিভাবক হিসেবে রুহুল কবির রিজভী আহমেদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। তার হাত ধরে এ অঞ্চলের নদীভাঙন, দারিদ্র্য ও বাল্যবিয়ের মতো সামাজিক ব্যাধি দূর হবে বলে স্থানীয়রা প্রত্যাশা করছে। পাশাপাশি শিক্ষা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে কুড়িগ্রামের সামগ্রিক ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে সবাই বিশ্বাস করে।