সোমবার, 12 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

অহিংসা ও শান্তি চর্চার মাধ্যমে বিশ্বে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

যেকোনো মতপার্থক্য নিরসনে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পরমতসহিষ্ণুতা এবং গঠনমূলক আলোচনার পথ বেছে নিতে হবে। বৈষম্যমুক্ত ও শান্তিময় একটি পৃথিবী বিনির্মাণে মহাত্মা গান্ধীর প্রচারিত অহিংসার শিক্ষা বর্তমান সময়েও সমানভাবে শিক্ষণীয়।

অহিংসা ও শান্তি চর্চার মাধ্যমে বিশ্বে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সম্প্রীতি, মানবিক চেতনা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অহিংসার দর্শন অনুশীলনের ওপর বিশেষ তাগিদ দিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

তিনি উল্লেখ করেন, যেকোনো মতপার্থক্য নিরসনে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, পরমতসহিষ্ণুতা এবং গঠনমূলক আলোচনার পথ বেছে নিতে হবে। বৈষম্যমুক্ত ও শান্তিময় একটি পৃথিবী বিনির্মাণে মহাত্মা গান্ধীর প্রচারিত অহিংসার শিক্ষা বর্তমান সময়েও সমানভাবে শিক্ষণীয়।

রোববার রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে মহাত্মা গান্ধীর ১৫৭তম জন্মবার্ষিকী এবং আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক পর্বের আয়োজন করে গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট। ওই অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এসব অভিমত প্রকাশ করেন।

গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জীবন কানাই দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন নোয়াখালী-১ নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের উপ-হাইকমিশনার পবন কুমার বাধে।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, মহাত্মা গান্ধী আজীবন অহিংস পন্থায় শান্তি ও সংহতির বার্তা ছড়িয়ে গেছেন এবং একটি ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ গঠনে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। তাঁর দেখানো পথ ধরে সমাজ থেকে যেকোনো ধরনের হানাহানি, বিদ্বেষ আর বিভাজন দূর করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

টেকসই প্রবৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য সুরক্ষায় সহযোগিতাপূর্ণ পরিবেশের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ ছাড়াও নদী ও পানিসম্পদের মতো যৌথ অংশীদারিত্বের ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সুসম্পর্ক অত্যন্ত জরুরি। আগামী প্রজন্মের বসবাসযোগ্য এক নিরাপদ পৃথিবী উপহার দিতে অহিংসার চেতনাকে পারিবারিক পরিমণ্ডল থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত করার ওপর জোর দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, গান্ধীর সার্বজনীন জীবনাদর্শকে পাথেয় করে মানবকল্যাণ, সাম্প্রদায়িক ঐক্য এবং বিশ্বশান্তি রক্ষায় প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে ইতিবাচক অবদান রাখা আবশ্যক।