প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বন্যপ্রাণীর অবাধ প্রজনন ও বিচরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে সর্বসাধারণের প্রবেশের ওপর পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বন বিভাগ।
এই সাময়িক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে প্রবেশ এবং বনের ভেতর মাছ ও কাঁকড়া শিকারের অভিযোগে বিগত তিন মাসে মোট ৫৫টি মামলা নথিভুক্ত করেছে স্থানীয় বন বিভাগ। এ সকল ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার কারণে ইতিমধ্যে ৪৪ জনকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়েছে।
বন বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে বনের পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি জলদস্যুতা বা দুষ্কৃতকারীদের তৎপরতা রোধে নিয়মিত অভিযান জোরদার রাখা হয়েছে। সাধারণ বনজীবীদের নিরাপত্তা প্রদানকে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ড, র্যাব এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ সহায়তা নেওয়া হচ্ছে।
সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান নিশ্চিত করেন যে ১ সেপ্টেম্বর থেকে বনাঞ্চল খুলে দেওয়ার যাবতীয় প্রস্তুতি পূর্বেই সম্পন্ন করা হয়েছিল। বনের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখতে ও জলদস্যু দমন করতে সংশ্লিষ্ট সকল রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় রক্ষা করে কাজ চালানো হচ্ছে।