শনিবার ওয়াশিংটনের পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষে থেকে দেওয়া এক দাপ্তরিক সামাজিক যোগাযোগবার্তায় এই তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তার কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিশ্বজুড়ে অবস্থানরত আমেরিকান নাগরিকদের সুরক্ষা বজায় রাখা তাদের প্রধান অগ্রাধিকার। এই লক্ষ্যে নেপাল ও প্রতিবেশী দেশ চীনে নিয়োজিত মার্কিন কূটনৈতিক মিশনগুলো সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকারের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও সমন্বয় রক্ষা করে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।
মূলত সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে হিমালয় অঞ্চলে একটি দানবীয় হিমবাহের আকস্মিক ফাটল ও ধসের কারণে নেপাল এবং তিব্বত সীমান্ত সংলগ্ন বিশাল ভূখণ্ডে এক বিনাশী জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি হয়। ভৌগোলিক বিপর্যয়ে এলাকাটি মুহূর্তেই প্লাবিত হয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্ম দেয়।
বিপর্যয়কর এই ঢলে এ পর্যন্ত সাড়ে ছয় শতাধিক মানুষের প্রাণহানির নিশ্চিত খবর পাওয়া গেছে। এর পাশাপাশি তিন হাজারের বেশি মানুষ এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে শতাধিক মার্কিন নাগরিকসহ বিপুল সংখ্যক বিদেশী পর্যটক আটকা পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র জানিয়েছে, নিরাবরণ ধ্বংসস্তূপের নিচে ও বন্যাপ্লাবিত অঞ্চলে অনুসন্ধান চলাকালীন নিখোঁজের তালিকায় প্রায় ছয়শ বিদেশি নাগরিকের নাম নথিভুক্ত রয়েছে। অবশ্য উদ্ধারকারী দলগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় ইতোমধ্যে আড়াই শতাধিক বিদেশি পর্যটককে নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির পর্যটন পর্ষদ।