লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার দিঘলী ইউনিয়নে সামাজিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের (এসডিএফ) একটি বিশেষ প্রকল্পের উপকারভোগীদের সাথে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির আসন থেকে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
পূর্ববর্তী শাসনামলের দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াই ও প্রতিকূলতার কথা স্মরণ করে মন্ত্রী জানান, দীর্ঘ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অর্জিত গণতান্ত্রিক অধিকারকে রক্ষা করা এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোকে পুনর্গঠন করাই বর্তমান প্রশাসনের মূল অগ্রাধিকার। এই অর্জনকে স্থায়ী রূপ দিতে হলে বিরোধী দলসহ সকল পক্ষকে সংঘাতের পথ পরিহার করে গঠনমূলক ভূমিয়ায় এগিয়ে আসতে হবে।
অনবরত আন্দোলন ও রাজপথ ঘেরাও কর্মসূচির সমালোচনা করে তিনি বলেন, অনবরত বিশৃঙ্খলা ও অসন্তোষ সৃষ্টি করা হলে স্থানীয় বা জাতীয় পর্যায়ে উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। রাজনীতির নামে এমন পরিস্থিতি তৈরি করা সাধারণ মানুষ কিংবা দেশের সার্বিক স্বার্থের অনুকূল নয়।
সরকারকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে বর্তমান নেতৃত্বকে দুর্বল করার পরিকল্পনা সফল হবে না। জনগণের আস্থা বজায় রাখতে এবং শাসন পরিচালনায় দৃঢ়তা বজায় রাখতে তৃণমূলের সকল শক্তিকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।