আজ শনিবার লক্ষ্মীপুর সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত সদর ও চন্দগঞ্জ উপজেলার জিপিএ-৫ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের এক আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মতামত ব্যক্ত করেন।
সংগঠনটির সভাপতি এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি পদে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হানিফ মুরাদ, জেলার প্রশাসনিক প্রধান এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাহাবউদ্দিন সাবু এবং স্থানীয় সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ইউছুফসহ অন্য উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ।
সামাজিক অবক্ষয় ও মাদকমুক্ত পরিবেশ গড়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে পানিসম্পদমন্ত্রী জানান, দেশের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে সীমান্ত এলাকা দিয়ে ক্ষতিকর মাদক প্রবেশ করানোর একধরনের ষড়যন্ত্র বিদ্যমান রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় অগ্রাধিকার প্রদানের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়াতে পারলে তরুণদের সামাজিক অবক্ষয় ও অপশক্তির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
রাষ্ট্রীয় রূপরেখার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এক কঠিন ও প্রতিকূল পরিস্থিতি পেরিয়ে নির্বাচনের পর নতুন সরকার দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতকে সর্বাধিক অগ্রাধিকারের জায়গায় রেখেছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যেকোনো ধরনের অসদুপায় বা নকলের সুযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা সরকারের জন্য একটি বড় প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ।
সমাজের বর্তমান প্রেক্ষাপট টেনে মন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন যে মূল্যবোধের ক্রান্তিকাল কাটাতে প্রতিটি স্তরে নৈতিক শিক্ষার প্রতিফলন প্রয়োজন।
মাধ্যমিক পরীক্ষার সাফল্যকে শিক্ষাজীবনের কেবল প্রাথমিক ধাপ হিসেবে উল্লেখ করে পরবর্তী স্তরেও এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পরামর্শ দেন তিনি। পরিশেষে, বর্তমান সরকার শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য ও তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে দৃঢ় আশ্বাস ব্যক্ত করেন তিনি।