শুক্রবার সামাজিক মাধ্যমে এক বিশেষ বার্তায় তিনি এই ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
রাশেদ খাঁন মনে করিয়ে দেন যে, কয়েক মাস আগেই জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা রাষ্ট্রপ্রধান ও তাঁর স্বজনদের নামে অশালীন ভাষা প্রয়োগের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সম্প্রতি আটককৃত এক যুবক প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াত মা-বাবাকে লক্ষ্য করে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ উক্তি করেছে উল্লেখ করে তিনি জানান, এ জাতীয় অপরাধমূলক প্রবণতা কঠোর হস্তে দমন না করলে সামাজিক শৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়তে পারে।
বিদ্যুৎ বিলের অসামঞ্জস্যতা প্রসঙ্গে তিনি জানান, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ বিভাগের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যে বিলে ত্রুটি থাকলে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে গিয়ে তা সংশোধন করে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক ত্রুটির সমাধান না খুঁজে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর পরিবারকে অশালীন ভাষায় আক্রমণ করার সংস্কৃতি মোটেই সমর্থনযোগ্য নয়।
আটককৃত ব্যক্তির বিষয়ে তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যদি তাকে হেফাজতে না নিত, তবে উত্তেজিত জনতার ক্ষোভের মুখে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরির প্রবল আশঙ্কা ছিল। সামাজিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে সাইবার অপরাধ রুখে দেওয়ার বদলে একশ্রেণীর মানুষ যখন এই ধরনের উসকানিকে সমর্থন জোগায়, তখন রাষ্ট্রীয় ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
কথা প্রসঙ্গে পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, নতুন সরকার যেন চাপের মুখে পড়ে, সেজন্য পূর্ববর্তী প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে একাধিক এলএনজি টার্মিনাল প্রকল্প ও ৩৭টি সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিল করে গিয়েছিল। এই প্রকল্পগুলো কার্যকর থাকলে বর্তমান জ্বালানি সংকট তৈরি হতো না দাবি করে তিনি বলেন, নির্বাচিত সরকারকে রাজনৈতিকভাবে বিপাকে ফেলার ছক কষেই আগের সরকার নানা জটিলতা রেখে গেছে।