মেজর আখতারুজ্জামানকে বীরপুরুষ সাজিয়ে জামায়াতের শীর্ষ নেতা প্রকৃতপক্ষে গণহত্যার পক্ষেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
রবিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি এই ক্ষোভ ঝাড়েন।
একই বার্তায় রাশেদ খান অভিযোগ করেন, ছাত্র-জনতার গণজাগরণের মাত্র এক মাসের মাথায় আওয়ামী লীগকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রদর্শনের ঘোষণা দিয়েছিলেন জামায়াতের আমির। এর মাধ্যমে তিনি প্রকারান্তরে গণহত্যার মূল হুকুমদাতা শেখ হাসিনাকেও ক্ষমা করে দিয়েছেন কি না, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মতে, আজ যিনি মেজর আখতারুজ্জামানের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছেন, আগামী দিনে তিনি শেখ হাসিনার জন্যও চোখের জল ফেলতে পারেন, যা দলটির বহুরূপী রাজনৈতিক চরিত্রেরই বহিঃপ্রকাশ। তিনি আরও মন্তব্য করেন, একাত্তরের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের দোসর হওয়ার অতীত অভিজ্ঞতার কারণে চব্বিশের হত্যাকাণ্ড দলটির কাছে গুরুত্বহীন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার জ্বলন্ত প্রমাণ আখতারুজ্জামানকে ঘিরে দলটির নেতাকর্মীদের এই কৃত্রিম শোকগাথা।
প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী আরও দাবি করেন, চব্বিশের রক্তক্ষয়ী দমনপীড়নের অন্যতম সহায়তাকারী হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত এই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক ফৌজদারি অভিযোগ আনা উচিত। এমন আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলে জামায়াত কীভাবে তাঁর দায়ভার সামলাবে, নাকি তাদের দলে ভিড়ে গেলেই অতীতের সব অপকর্ম মুছে যায়, সে বিষয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। দলটির এমন ভূমিকা দেখে তারা দাগী অপরাধীদের আশ্রয়কেন্দ্র বা পুনর্বাসন প্রকল্পে রূপ নিতে চাইছে কি না, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।