ফিলিস্তিনি সরকারি সংবাদ সংস্থা ওয়াফার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেথলেহেমের আল-রাশাইদেহ এলাকা থেকে এক শিশুসহ দুইজনকে আটক করা হয়। এছাড়া কুলকিলিয়া শহরের কাফর সাবা ও আল-নাক্কার এলাকায় গভীর রাতে বাসাবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ছয়জন এবং তুলকারেম শহর থেকে আরও পাঁচ ফিলিস্তিনিকে আটক করে নিয়ে যায় ইসরায়েলি বাহিনী।
গ্রেপ্তার অভিযানের পাশাপাশি সাধারণ ফিলিস্তিনিদের সম্পত্তিতে হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। নাবলুসের ওসারিন শহরে এক ফিলিস্তিনির বসতঘর ও একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং দেয়ালে বর্ণবাদী বার্তা লিখে রেখে যায় হামলাকারীরা। বেথলেহেমের খালাইল আল-লুজ ও আল-মিনিয়া গ্রামে একাধিক জলপাই ও আঙুরের গাছ উপড়ে ফেলাসহ সেচের পাইপলাইন সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে। অন্যদিকে রামাল্লাহর বুরকা গ্রামে এক কৃষকের তাঁবু, গবাদি পশুর খাদ্য ও গৃহস্থালি সরঞ্জামে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
একই সময়ে রামাল্লাহর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আল-মুগাইয়ির গ্রামের পশ্চিম প্রবেশদ্বারটি বন্ধ করে দিয়ে স্থানীয়দের যাতায়াত রুদ্ধ করে দেয় সেনা সদস্যরা। সেখানে পথচারী ও চালকদের আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পাশাপাশি সাধারণ যানবাহনকে লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অধিকৃত পশ্চিম তীর জুড়ে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান ও সহিংসতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।