শনিবার ঢাকায় সেন্টার ফর নন রেসিডেন্ট বাংলাদেশি আয়োজিত ‘আসন্ন জাতিসংঘ সম্মেলন ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং’ বিষয়ক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এই সংকটের জন্ম বাংলাদেশের মাটিতে হয়নি এবং এটি দেশের তৈরি কোনো সমস্যা নয়। তা সত্ত্বেও এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ এই অনাকাঙ্ক্ষিত দায় বহন করে আসছে। সীমান্ত পেরিয়ে রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমার জান্তা বাহিনী এবং আরাকান আর্মিসহ বহুধা বিভক্ত অংশীজনদের অবস্থান এবং আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক জটিলতার কারণে সংকট সমাধানের পথ অত্যন্ত রুদ্ধ হয়ে পড়েছে। এই বাস্তবতায় প্রবাসী সমাজসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
আসন্ন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, নিউ ইয়র্কে আয়োজিত এই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী নিজে উপস্থিত থাকবেন এবং রোহিঙ্গা বিষয়ের ওপর একটি বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ, মহামারি প্রতিরোধ এবং সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হবে।
উক্ত অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে একটি নতুন আশার সঞ্চার হিসেবে চিহ্নিত করে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ ফার্স্ট' বা জাতীয় স্বার্থকে সর্বাগ্রে রাখার বৈদেশীয় নীতি অনুসরণ করে দেশের প্রকৃত অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, আত্মমর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা হবে।
প্রবাসী সংগঠক এম এস সেকিল চৌধুরীর সঞ্চালনায় আয়োজিত উক্ত সংলাপে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক নাজনীন আহমেদ, গুম সংক্রান্ত কমিশনের প্রতিনিধি নূর খান লিটন এবং ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক রেফাত উল্লাহ খানসহ অন্যান্য অতিথিবর্গ বক্তব্য রাখেন।