শুক্রবার, 25 সেপ্টেম্বর 2026
সকল বিভাগ

‘স্বল্পোন্নত দেশ’ থেকে উত্তরণের অপেক্ষায় বাংলাদেশ : তারেক রহমান

সমকালীন আন্তর্জাতিক বাস্তবতায় এককভাবে এগিয়ে যাওয়া অসম্ভব, কেননা সব রাষ্ট্রই কোনো না কোনোভাবে পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। এই বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়ে আঞ্চলিক পরিমণ্ডলে বাণিজ্যিক সুবিধা বৃদ্ধি, সুদৃঢ় যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণ এবং কার্যকর অংশীদারিত্বের মধ্য দিয়ে প্রতিটি দেশের সামগ্রিক কল্যাণ ও অর্থনৈতিক উন্নতি নিশ্চিত করা সম্ভব বলে বাংলাদেশ বিশ্বাস করে।

‘স্বল্পোন্নত দেশ’ থেকে উত্তরণের অপেক্ষায় বাংলাদেশ : তারেক রহমান
স্বল্পোন্নত রাষ্ট্রের কাতার থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় পৌঁছানোর চূড়ান্ত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ। কেবল বাংলাদেশের জন্যই নয়, বরং একই পর্যায়ে থাকা সকল রাষ্ট্রের এই পটপরিবর্তন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়াদে ফলপ্রসূ ও টেকসই করতে নিরবচ্ছিন্ন তহবিল সহায়তা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ন্যায্য প্রবেশাধিকার, প্রযুক্তি আদান-প্রদান এবং দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সমন্বিত সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্ক পর্বে নিজের বক্তব্য উপস্থাপনকালে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন। স্থানীয় সময় ২৪ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বৈশ্বিক এই ফোরামে বাংলায় দেওয়া ভাষণে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সমকালীন আন্তর্জাতিক বাস্তবতায় এককভাবে এগিয়ে যাওয়া অসম্ভব, কেননা সব রাষ্ট্রই কোনো না কোনোভাবে পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। এই বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়ে আঞ্চলিক পরিমণ্ডলে বাণিজ্যিক সুবিধা বৃদ্ধি, সুদৃঢ় যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণ এবং কার্যকর অংশীদারিত্বের মধ্য দিয়ে প্রতিটি দেশের সামগ্রিক কল্যাণ ও অর্থনৈতিক উন্নতি নিশ্চিত করা সম্ভব বলে বাংলাদেশ বিশ্বাস করে।

করোনা মহামারির ভয়াবহ অভিজ্ঞতা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, সেই বৈশ্বিক দুর্যোগ কোটি মানুষের প্রাণ কেড়ে নিলেও মানবজাতিকে একটি বড় শিক্ষা দিয়ে গেছে। মানবসমাজকে টিকিয়ে রাখতে হলে পারস্পরিক সমবেদনা, সৌহার্দ্য ও একাত্মতার কোনো বিকল্প নেই। এই প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে অনুন্নত ও বিকাশমান অঞ্চলগুলোতে প্রতিষেধক টিকা, চিকিৎসাসেবার নানাবিধ উপকরণ এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রযুক্তি তৈরিতে স্বনির্ভরতা অর্জনের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন, যাতে সংকটকালীন মুহূর্তে প্রতিটি মানুষের কাছে স্বাস্থ্য সুরক্ষার উপকরণগুলো সহজেই পৌঁছানো সম্ভব হয়।