শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

বিশ্বকাপের সবচেয়ে দামি তিন ফুটবলার কারা, খেলবেন কোন দেশের হয়ে

২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে। দলসংখ্যা বৃদ্ধি, নতুন প্রতিযোগিতা কাঠামো এবং তিন দেশের যৌথ আয়োজনে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপের অপেক্ষায় গোটা ফুটবল বিশ্ব। এরই মধ্যে প্রকাশিত এক সমীক্ষায় বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া ফুটবলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ বাজারমূল্যের খেলোয়াড় হিসেবে উঠে এসেছে স্পেনের তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামালের নাম।

বিশ্বকাপের সবচেয়ে দামি তিন ফুটবলার কারা, খেলবেন কোন দেশের হয়ে

২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে। দলসংখ্যা বৃদ্ধি, নতুন প্রতিযোগিতা কাঠামো এবং তিন দেশের যৌথ আয়োজনে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপের অপেক্ষায় গোটা ফুটবল বিশ্ব। এরই মধ্যে প্রকাশিত এক সমীক্ষায় বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া ফুটবলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ বাজারমূল্যের খেলোয়াড় হিসেবে উঠে এসেছে স্পেনের তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামালের নাম।

ফুটবলারদের বয়স, সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা, চুক্তির মেয়াদ এবং পুনর্বিক্রয় মূল্যসহ বিভিন্ন সূচক বিশ্লেষণ করে এই মূল্যায়ন করেছে ফুটবল ট্রান্সফার প্ল্যাটফর্ম ট্রান্সফাররুম। তাদের সমীক্ষা অনুযায়ী, ইয়ামালের বর্তমান বাজারমূল্য ২৫ কোটি ৪০ লাখ ইউরো, যা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী সব খেলোয়াড়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। অল্প বয়সেই ইউরোপীয় ফুটবলে অসাধারণ প্রভাব বিস্তার করায় তার চাহিদা এখন সবচেয়ে বেশি।

সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবলারের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড। ধারাবাহিক গোল করার সক্ষমতা এবং ইউরোপের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করায় তার বাজারমূল্য পৌঁছেছে ১৯ কোটি ৯০ লাখ ইউরোতে।

তালিকার তৃতীয় অবস্থানে আছেন ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত এই তারকার বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ১৯ কোটি ইউরো। একই সঙ্গে তিনি ফ্রান্সের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড়। এমবাপ্পের নেতৃত্বেই বাজারমূল্যের বিচারে সবচেয়ে দামি স্কোয়াড নিয়ে বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ফ্রান্স।

অন্যদিকে ব্রাজিলের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় ভিনিসিয়ুস জুনিয়র হলেও সামগ্রিক তালিকায় তার অবস্থান দশম। দুই বছর আগে ফিফার বর্ষসেরা নির্বাচিত হওয়া এই ফরোয়ার্ডের আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ কোটি ৮০ লাখ ইউরো।

এদিকে ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে নানা দিক থেকে ব্যতিক্রমী। প্রথমবারের মতো এই আসরে অংশ নেবে ৪৮টি দল, যেখানে আগের আসরগুলোতে খেলত ৩২টি দল। একই সঙ্গে ম্যাচসংখ্যাও ৬৪ থেকে বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১০৪টিতে।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১১ জুন মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে। এর মাধ্যমে স্টেডিয়ামটি এক অনন্য রেকর্ড গড়বে। কারণ ১৯৭০, ১৯৮৬ এবং ২০২৬—এই তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ আয়োজনের কৃতিত্ব অর্জন করবে এটি।