বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে গ্যাস ও তেলবাহী ৮ জাহাজ

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় জ্বালানি আমদানিতে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও চট্টগ্রাম বন্দরে আটটি গ্যাস ও তেলবাহী জাহাজ পৌঁছানোর খবর পাওয়া গেছে। এর ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহে সাময়িকভাবে স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে গ্যাস ও তেলবাহী ৮ জাহাজ
ছবিঃ সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় জ্বালানি আমদানিতে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও চট্টগ্রাম বন্দরে আটটি গ্যাস ও তেলবাহী জাহাজ পৌঁছানোর খবর পাওয়া গেছে। এর ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহে সাময়িকভাবে স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

রোববার (৮ মার্চ) সকালে জাহাজগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে পুরোদমে সংঘাত শুরু হওয়ার আগেই এই জাহাজগুলো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছিল। বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, নির্ধারিত সময় মেনেই জাহাজগুলো বন্দরে ভিড়েছে এবং দ্রুত জ্বালানি খালাসের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

তবে বৈশ্বিক বাজারে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় আগেভাগেই সতর্কতা অবলম্বন করছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় গত শুক্রবার থেকে সারাদেশে জ্বালানি তেল বিক্রির ওপর নির্দিষ্ট সীমা বা কোটা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, যুদ্ধাবস্থার কারণে বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে ওই রুট দিয়ে নতুন করে কোনো জাহাজ বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারছে না। ২৮ ফেব্রুয়ারির পর যে জাহাজগুলো আসার কথা ছিল, সেগুলোর অনেকগুলোই এখন সৌদি আরব, কাতার ও দুবাইয়ের বিভিন্ন বন্দরে আটকা পড়ে আছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল যদি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে, তবে দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি মজুত ও সরবরাহে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সংকট এড়াতে দ্রুত বিকল্প দেশ বা রুট থেকে জ্বালানি সংগ্রহের পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।