বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

ঢাবি ছাত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাবি ছাত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে শিক্ষক কারাগারে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন এ আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রিমান্ডের আবেদন না থাকায় আসামিকে সরাসরি আদালতে হাজির করা হয়নি। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাজী ইকবাল হোসেন তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী ফুল মোহাম্মদসহ অন্যান্য আইনজীবীরা মানবিক বিবেচনায় তার জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, তদন্ত চলাকালে এজাহারভুক্ত আসামি সুদীপ চক্রবর্তীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে উত্তর বাড্ডা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে ঘটনায় সম্পৃক্ততার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তার নাম ও ঠিকানা যাচাই চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়। ভবিষ্যতে রিমান্ডের প্রয়োজন হতে পারে বলেও তদন্ত কর্মকর্তা জানান।

উল্লেখ্য, রোববার রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় নিজ বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুটও পাওয়া যায়, যেখানে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া।’

এরপর মিমোর বাবা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে সুদীপ চক্রবর্তীকে আসামি করে বাড্ডা থানায় মামলা করেন।