ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মন্তব্য করেছেন যে, দেশের শীর্ষ কর্মকর্তা, কূটনৈতিক আলোচক এবং ফুটবল খেলোয়াড়রা প্রত্যেকেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরানি জনগোষ্ঠীর আত্মমর্যাদা ও সম্মান অক্ষুণ্ন রাখার লড়াইয়ে নিজেদের মতো করে অবদান রাখছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একটি বিশেষ বার্তায় তিনি এ কথা ব্যক্ত করেন।
সুইজারল্যান্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সুনির্দিষ্ট অগ্রগতির দিকে যাওয়ার খবর এবং চলমান ফুটবল বিশ্বকাপে শক্তিশালী বেলজিয়ামের বিপক্ষে ইরানের ড্র করার পর পরই তার এই বার্তাটি সামনে এলো।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি তার ওই পোস্টে একটি প্রতীকী ছবি ব্যবহার করেন, যেখানে একদিকে যৌথ সামরিক হামলায় নিহত স্কুল শিক্ষার্থীদের মরদেহ এবং অন্যদিকে চলমান ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানি দলের খেলার দৃশ্য পাশাপাশি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ছবির ক্যাপশনে তিনি উল্লেখ করেন, ‘খেলার মাঠ থেকে শুরু করে আলোচনার টেবিল কিংবা সম্মুখ যুদ্ধক্ষেত্র—আমরা ইরানি হিসেবে যেখানেই যে পদক্ষেপ নিচ্ছি না কেন, তার প্রতিটিই মূলত একটি বৃহত্তর সংগ্রামের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আর আমাদের সেই পরম লক্ষ্যটি হলো দেশের প্রিয় আপামর জনসাধারণের সম্মান ও মর্যাদাকে সমুন্নত রাখা।’
একই বার্তায় তিনি বিগত ২৮ ফেব্রুয়ারি শাহেনশাহ তাইয়্যেবা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ঘটিত এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভয়াল স্মৃতি স্মরণ করেন। ভয়াবহ ওই হামলায় প্রায় ১৬০ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন, যাদের অব অবয়ব জুড়েই ছিল কোমলমতি স্কুলছাত্রী ও শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ।
টুইটের শেষাংশে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেই নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া নিষ্পাপ প্রাণগুলোর গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং দেশের সুরক্ষায় তাদের দেওয়া মহান আত্মত্যাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।