বৃহস্পতিবার, 5 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

ফ্যামিলি কার্ডের টাকায় নারীর ক্ষমতায়ন তৈরি হবে : তথ্যমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ডের টাকায় নারীর ক্ষমতায়ন তৈরি হবে : তথ্যমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে যে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে, তা পারিবারিক পর্যায়ে নারীদের স্বাবলম্বী ও ক্ষমতায়িত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন।

শনিবার বিকেলে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে বরিশাল-১ আসনের ভোটারদের কাছে দেওয়া অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল এই ফ্যামিলি কার্ডের প্রবর্তন। তৎকালীন সময়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো এই অঙ্গীকার নিয়ে নানামুখী সমালোচনা ও কটাক্ষ করলেও বর্তমান সরকার পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়নের রূপ দিচ্ছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

তথ্যমন্ত্রী আরও জানান, শুধু সাধারণ পরিবারই নয়, বরং সমাজসেবামূলক ও ধর্মীয় সম্প্রীতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় গুরু ও নেতাদেরও বিশেষ সম্মানী ভাতার আওতায় এনে কার্ড প্রদান করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলনই হচ্ছে এই চলমান জনমুখী কর্মসূচি।

গৌরনদী অঞ্চলকে এই কল্যাণমুখী প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি তথ্য তুলে ধরে বলেন, দেশব্যাপী ইতিমধ্যে প্রায় সাঁইত্রিশ হাজার সুবিধাভোগী নাগরিক এই সেবার আওতায় এসেছেন, যার মধ্যে গৌরনদীর সরিকল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডও যুক্ত হয়েছে। পর্যায়ক্রমে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার মোট ১২টি ইউনিয়ন এবং গৌরনদী পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা এই ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা পাবেন।

স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, বিভাগীয় সমাজসেবা দপ্তরের পরিচালক শাহ মো. রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু ছালেহ মো. আনছার উদ্দিন এবং গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারিক হাসান রাসেলসহ স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।

আলোচনা সভা ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে সরিকল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত ৬১৩টি পরিবারের প্রতিনিধিদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড হস্তান্তর করা হয়।