বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে একটি ভাড়া বাসা থেকে ববিতা খাতুন (৩০) নামের এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ও নিহতের স্বামী হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গাইবান্ধায় গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার
ছবিঃ সংগৃহীত

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে একটি ভাড়া বাসা থেকে ববিতা খাতুন (৩০) নামের এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ও নিহতের স্বামী হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (২৯ মার্চ) শেষ রাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান।

এর আগে শনিবার বেলা ১১টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা এলাকার আমালাগাছি নামক স্থানের একটি ভাড়া ঘর থেকে ববিতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার অভিযান চলাকালীন ঘটনাস্থল থেকে একটি বিচ্ছিন্ন পুরুষাঙ্গ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও বিভিন্ন বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, সংগৃহীত ওই দেহাংশটি ববিতার স্বামী হারুন মিয়ার। ধারণা করা হচ্ছে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার বিবাদের একপর্যায়ে ববিতা তার স্বামীর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন। পরবর্তীতে হারুন ক্ষুব্ধ হয়ে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করে নিজে গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের মা হাসনা বেগম বাদী হয়ে পলাশবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় হারুন মিয়াকে প্রধান আসামি করে তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

পলাশবাড়ী থানার ওসি সারোয়ারে আলম খান জানান, ঘটনার পর থেকেই হারুন পলাতক ছিলেন। গোপন খবরের ভিত্তিতে জানা যায় তিনি রংপুর মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে পুলিশি পাহারায় রয়েছেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার শরীরে রক্ত দেওয়া হচ্ছে এবং তিনি এখন পর্যন্ত কোনো কথা বলছেন না। চিকিৎসকদের মতে তিনি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত। সুস্থ হওয়া মাত্রই তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। পুলিশ আরও জানায়, এই হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।