সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে নিজের পেজে পোস্ট করা এক বার্তায় সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট এসব দাবি উত্থাপন করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, গাজা অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং নিরাপত্তা সুসংহত করতে 'বোর্ড অব পিস' হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র পক্ষগুলোর পূর্ণাঙ্গ নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে এক যুগান্তকারী চুক্তিতে উপনীত হতে সক্ষম হয়েছে।
তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই আলোচনার দাবি নিয়ে হামাসের তরফ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রকাশ্য মন্তব্য কিংবা অবস্থান পরিষ্কার করা হয়নি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও সংগঠনটির কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে বোর্ড অব পিসের এক দায়িত্বশীল সূত্র থেকে জানানো হয়েছে, রূপরেখা অনুযায়ী একটি নির্ধারিত কমিটির নিকট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো পর্যায়ক্রমে তাদের সব ধরনের গোলাবারুদ ও অস্ত্র তুলে দেবে। এই প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র এবং পরবর্তীতে ব্যক্তিপর্যায়ের সরঞ্জাম জমা নেওয়া হবে।
উক্ত কর্মকর্তা প্রকাশ করেন, গাজায় দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত বন্ধে মার্কিন প্রশাসনের প্রস্তাবিত বহুধাপ বিশিষ্ট রূপরেখার মূল শর্তই হলো হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ করা। এটি বাস্তবায়িত হলে সেখানে বিশেষজ্ঞভিত্তিক একটি অন্তর্বর্তীকালীন শাসনব্যবস্থা চালুর পথ সুগম হবে।
আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীরা এই দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা কার্যকর করতে দীর্ঘ সময় ধরে হামাসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন বলে তিনি অবহিত করেন। যদিও চুক্তির সব দফাসমূহ শেষ পর্যন্ত তারা পুরোপুরি মেনে নেবে কি না, তা নিয়ে এখনো নানা মহলে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
তিনি আরও যোগ করেন, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের মুখ দেখলে এবং সংগৃহীত অস্ত্রসমূহ হস্তান্তরিত হলে নতুন অন্তর্বর্তী প্রশাসন উপত্যকার দায়িত্বভার গ্রহণ করবে। এতে করে বিদ্যমান শাসন কাঠামো থেকে হামাসের বিদায় ঘটবে এবং ফিলিস্তিন সংকটের রাজনৈতিক নিষ্পত্তিতে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা হতে পারে।