ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে একটি বিতর্কিত বিল পাস করেছে ইসরায়েলি পার্লামেন্ট, যা ইতোমধ্যেই বৈষম্যমূলক হিসেবে সমালোচিত হয়েছে এবং শিগগিরই আদালতে চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সোমবার পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত ভোটে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ ৬২ জন আইনপ্রণেতা বিলটির পক্ষে মত দেন। কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির এই বিল প্রণয়নের প্রধান উদ্যোক্তা। ভোটগ্রহণের আগে তিনি নিজের পোশাকে ফাঁসির দড়ির আকৃতির একটি পিন পরেছিলেন। ভোটের পর এক্সে পোস্ট করে তিনি লিখেন, ‘আমরা ইতিহাস তৈরি করেছি।’
বর্তমানে অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলি সামরিক আদালতে বিচার করা হয়। নতুন এই বিল কার্যকর হলে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য মৃত্যুদণ্ডই প্রধান শাস্তি হিসেবে কার্যকর হবে।
তবে বিলে উল্লেখ রয়েছে, বিশেষ পরিস্থিতিতে এই সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
এছাড়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি হিসেবে ফাঁসি নির্ধারণ করা হয়েছে। রায় ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে তা কার্যকর করতে হবে। তবে বিশেষ প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ১৮০ দিন পর্যন্ত তা স্থগিত রাখার সুযোগ রাখা হয়েছে।