শুক্রবার রাজধানীর এক মিলনায়তনে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ও বিকাশের যৌথ প্রয়াসে বাস্তবায়িত 'বইপড়া কর্মসূচির ১২ বছর' শীর্ষক উদযাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বিষয়ে জোর দেন।
শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, আজকের উঠতি বয়সের তরুণরাই আগামী দিনে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব সামলাবে। সেই কারণে তাদেরকে যোগ্য, দক্ষ ও মানবিক মানুষ হিসেবে তৈরি করতে হলে মানসম্মত সাহিত্য ও বই পড়ার চর্চা বাড়াতে হবে।
বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও বেশি প্রাণবন্ত ও সৃজনশীল করার লক্ষ্যে সরকারের নেওয়া নানা পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এসব সমন্বিত প্রয়াস শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের উপযোগী করে গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
প্রতিষ্ঠানগুলোর সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক (সিএসআর) তহবিলের প্রাসঙ্গিকতা টেনে মন্ত্রী বলেন, আলোকিত জাতি গঠনে কেবল সরকারের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়, বরং বেসরকারি খাতগুলোকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সাথে যুবসমাজকে মাদকের করাল গ্রাস এবং মুঠোফোনের ক্ষতিকর আসক্তি থেকে রক্ষা করতে বই পাঠকে প্রধান হাতিয়ার করার পরামর্শ দেন তিনি।
উক্ত উদযাপনী আয়োজনে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী প্রধান খন্দকার মো. আসাদুজ্জামান এবং বিকাশ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর বক্তব্য প্রদান করেন।