নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ঝড়ের মধ্যে নদীর তীরে রাখা মাছ ধরার নৌকা দেখতে গিয়ে বজ্রাঘাতে ঠাকুর চাঁন (২৫) নামে এক যুবকের করুণ মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটের দিকে উপজেলার মুছাপুর ক্লোজার সংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত যুবক মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জেলে পাড়া এলাকার জনারদনের ছেলে। এই ঘটনায় তার বাবা জনারদন (৪৫) নিজেও গুরুতর জখম হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গভীর রাতে আবহাওয়া খারাপ হতে শুরু করলে এবং ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কায় বাবা ও ছেলে তাদের জীবিকার প্রধান উৎস মাছ ধরার নৌকাটি নিরাপদ আছে কি না তা দেখতে নদীর ধারে যান। ঠিক সেই মুহূর্তে আকস্মিক বজ্রপাতে তারা দুজনেই আক্রান্ত হন। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ঠাকুর চাঁন।
একই সময়ে পার্শ্ববর্তী একটি তরমুজ ক্ষেত পাহারা দেওয়ার সময় রবিউল হোসেন নামে আরও এক যুবক বজ্রপাতের তীব্র শব্দ ও আলোর প্রভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার অভিযানে নেমে আহতদের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আব্দুল করিম জানান, বজ্রপাতের শিকার বাবা ও ছেলেকে হাসপাতালে আনা হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ছেলেকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তবে তার বাবা জনারদনকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন। প্রাকৃতিক এই দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।