স্বজনদের বিবরণ অনুযায়ী, ঘটনার সময় সুমন তার বোনের সঙ্গে নদীর তীরে অবস্থান করছিলেন। আচমকা একদল সশস্ত্র লোক এসে তাকে জোরপূর্বক সেখান থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় একটি বাজারের সামনে পৌঁছামাত্রই তাকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি চালিয়ে ফেলে রেখে চলে যায় সন্ত্রাসীরা। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, নিহত তরুণ কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না এবং খুব শীঘ্রই তার জীবিকার তাগিদে প্রবাসে পাড়ি জমানোর কথা ছিল। এদিকে ঘটনাটি রাজনৈতিক সংঘাতের জেরে ঘটেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বিএনপির এক দায়িত্বশীল প্রতিনিধি। তার অভিযোগ, বাইরে থেকে ভাড়াটে অপরাধীদের এনে স্থানীয় প্রতিপক্ষ দলের সঙ্গে যোগসাজশে ধারাবাহিকভাবে এই ধরনের সহিংসতা চালানো হচ্ছে।
ঘটনার বিষয়ে নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক বিচারে এটি স্থানীয় কোন্দলের জেরে ঘটেছে বলে মনে হচ্ছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।