রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে ধস্তাধস্তির ঘটনায় পদ্মা নদীতে পড়ে মো. রেজাউল শিকদার (৩৫) নামে এক যুবক নিখোঁজ হয়েছেন। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হলেও বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। দ্বিতীয় দিনের মতো ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটের একটি পন্টুন থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন রেজাউল শিকদার। তিনি গোয়ালন্দ উপজেলার বাহিরচর শাহাদাৎ মেম্বার পাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত মহিউদ্দিন শিকদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ৭ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুনে রেজাউল শিকদারের সঙ্গে ফেরির এক যাত্রীর কথা-কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে পন্টুনের ওপর ধস্তাধস্তির সময় রেজাউল শিকদারসহ ওই যাত্রী নদীতে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা অপর যাত্রীকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও রেজাউল শিকদার পানিতে তলিয়ে যান।
খবর পেয়ে গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিস ও গোয়ালন্দ ঘাট থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আরিচা স্থল কাম নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দলকে অবহিত করে। ডুবুরি দল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালালেও নিখোঁজ ব্যক্তির কোনো খোঁজ মেলেনি। পরে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দ্বিতীয় দিনের মতো আবারও উদ্ধার কাজ শুরু হয়।
নিখোঁজ রেজাউল শিকদারের পরিবারের দাবি, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে ফেরিঘাট থেকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি রেজাউলের সন্ধান দ্রুত উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
আরিচা স্থল কাম নদী ফায়ার স্টেশনের লিডার জয়নুল আবেদিন বলেন, ‘নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধারকাজ চলমান রয়েছে। সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের এ অভিযান চলবে।’