তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, চলতি আসরে সরকারি কোনো বাড়তি অর্থ অপচয় না করেই সফলভাবে খেলা সম্প্রচার করা সম্ভব হয়েছে। অতীতের এই সফল অভিজ্ঞতার পথ ধরেই আগামী দিনে সম্প্রচার খাতকে একটি লাভজনক ব্যবসায়িক উদ্যোগে রূপান্তর করা হবে। গণমাধ্যমকর্মীদের ইতিবাচক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে এই খাত থেকে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অর্থ জমা করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
খেলোয়াড়সুলভ ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করে মন্ত্রী জানান, স্বল্প সময়ের ব্যবধানে এই কর্মযজ্ঞ সফল করতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিটিভি প্রধানসহ সবাই মিলে অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছেন। একই সাথে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের প্রধানের নিয়মিত সহযোগিতার কথাও তিনি বিশেষভাবে স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা ও দিকনির্দেশনার কারণেই কোনো প্রকার সরকারি তহবিল খরচ না করে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেশবাসীকে বিশ্বকাপ উপভোগ করানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত সচিব এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ছাড়াও সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।