শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

টিএসসি যেন আরেক মিনি অ্যারোহেড স্টেডিয়াম

বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার মাঠের লড়াইটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হলেও এর ঢেউ আছড়ে পড়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে।

টিএসসি যেন আরেক মিনি অ্যারোহেড স্টেডিয়াম
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার মাঠের লড়াইটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হলেও এর ঢেউ আছড়ে পড়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে।

টিএসসির পরতে পরতে ছড়িয়ে পড়া এই তীব্র ফুটবল উত্তেজনা দেখে মনে হতেই পারে এটি যেন আমেরিকার সেই মূল ভেন্যুরই এক খুদে সংস্করণ, যা সম্পূর্ণ নিজেদের দখলে নিয়েছেন আলবিসেলেস্তেদের অনুগামীরা।

আজ বুধবার সকালে ম্যাচের মূল বাঁশি বাজার অনেক আগেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বর ও এর আশপাশের এলাকায় জড়ো হতে শুরু করেন আর্জেন্টিনা দলের অগণিত সমর্থক। প্রিয় দলের জার্সি গায়ে দিয়ে খেলা শুরুর পূর্ব মুহূর্ত থেকেই এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করেন তারা।

মাঠের লড়াইয়ের ১৬তম মিনিটে অধিনায়ক লিওনেল মেসি আলজেরিয়ার জাল কাঁপিয়ে দলকে এগিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই টিএসসিতে উপস্থিত ভক্তদের উল্লাস বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তে প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে বল পৌঁছানো মাত্রই উল্লাসে ফেটে পড়ছেন সেখানে জায়ান্ট স্ক্রিনে চোখ রাখা দর্শকরা।

ক্যাম্পাসে এই জমজমাট বড় পর্দায় খেলা উপভোগ করতে আসা ভিন্ন দলের এক সমর্থক হৃদয় নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে জানান, সবাই যে কেবল একটি নির্দিষ্ট দলকেই সমর্থন করবে এমন কোনো কথা নেই। তবে বিশ্বমঞ্চের ফুটবলকে কেন্দ্র করে সকালের এই অভূতপূর্ব উদ্দীপনা ও সার্বিক আয়োজন দেখে তাঁর ভীষণ ভালো লাগছে।

খেলা দেখতে আসা লাবণ্য নামের এক আর্জেন্টাইন ফুটবল ভক্ত জানান, আজকের দিনে পুরো টিএসসি এলাকাটি যেন একটি ছোটখাটো ফুটবল স্টেডিয়ামে রূপ নিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকেও অনেকে সপরিবারে এখানে খেলা উপভোগ করতে ছুটে এসেছেন। বিগত আসরের মতো এবারও সোনালী ট্রফিটি লিওনেল মেসির হাতেই উঠবে বলে তীব্র আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই সমর্থক।