বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

“ট্রাম্পকে ‘ব্যাপক সহায়তা’ দিচ্ছে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো”: রুটে

মিত্রদের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি ও ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা পূরণে নেটো জোটের বর্তমান অবস্থান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন মহাসচিব মার্ক রুটে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, সম্ভাব্য ঝুঁকি বা আসন্ন বিপদ মোকাবিলায় নেটো সদস্যরা এখন আর উদাসীন নয়। জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলো তাদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দের বিষয়ে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

“ট্রাম্পকে ‘ব্যাপক সহায়তা’ দিচ্ছে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলো”: রুটে
ছবিঃ সংগৃহীত

মিত্রদের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি ও ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা পূরণে নেটো জোটের বর্তমান অবস্থান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন মহাসচিব মার্ক রুটে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, সম্ভাব্য ঝুঁকি বা আসন্ন বিপদ মোকাবিলায় নেটো সদস্যরা এখন আর উদাসীন নয়। জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলো তাদের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দের বিষয়ে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলাপকালে মার্ক রুটে ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে মিত্র দেশগুলোর ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন। তিনি স্বীকার করেন যে, অতীতে ইরানের বিপক্ষে লজিস্টিক বা অন্যান্য কারিগরি সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে কিছু মিত্র দেশের মধ্যে কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা গিয়েছিল। তবে এর পেছনে যৌক্তিক কারণও ছিল বলে তিনি মনে করেন। রুটের মতে, অভিযানের গোপনীয়তা ও আকস্মিকতা বজায় রাখার স্বার্থে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেভাগে মিত্রদের সব তথ্য না জানানোর যে কৌশল নিয়েছিলেন, তাতে অনেক দেশই কিছুটা অপ্রস্তুত ছিল।

বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে নেটো মহাসচিব বলেন, এখন পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। পুরো ইউরোপ জুড়ে তাকালে দেখা যায়, মিত্র দেশগুলো বর্তমানে সর্বোচ্চ পর্যায়ে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিভিন্ন অনুরোধ ও চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়ে প্রায় প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রই ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে, যা জোটের অভ্যন্তরীণ সংহতিকে আরও জোরালো করেছে।

সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জলসীমায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দেশগুলোর মানসিকতার পরিবর্তন ঘটছে বলেও জানান মার্ক রুটে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখতে বিভিন্ন দেশের সমন্বয়ে গঠিত জোটে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। নেটো প্রধানের মতে, ব্রিটিশদের এই অগ্রণী ভূমিকা প্রমাণ করে যে সদস্য রাষ্ট্রগুলো এখন বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংকটে অনেক বেশি দায়িত্বশীল ও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।