আর্কাইভ
ads
logo

বিদ্যুৎ ও ফুয়েল ক্রাইসিসে সোলার সিস্টেম জরুরি : বিকেএমইএ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশকাল: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২০ এ.এম
বিদ্যুৎ ও ফুয়েল ক্রাইসিসে সোলার সিস্টেম জরুরি : বিকেএমইএ

ছবি : সংগৃহীত

ads

বিদ্যমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে নিট পোশাকশিল্পের উৎপাদন সচল রাখতে সোলার সিস্টেম বা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে বিকেএমইএ।

রোববার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌরবিদ্যুৎকে শিল্পের জন্য অপরিহার্য বলে অভিহিত করেন।

বিকেএমইএ সভাপতি উল্লেখ করেন, জ্বালানি সমস্যার কারণে শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা নতুন রূপ নিলেও ব্যাটারি আমদানিতে আইনি সীমাবদ্ধতা এবং কাস্টমস সংক্রান্ত জটিলতায় উদ্যোক্তারা বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি জানান, আগে নেট মিটারিং পদ্ধতিতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিয়ে বিল সমন্বয় করা হতো। তবে বর্তমান লোডশেডিংয়ের সময় কারখানা চালু রাখতে সোলার সিস্টেমকে বিকল্প শক্তি বা ব্যাকআপ হিসেবে ব্যবহার করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এই প্রক্রিয়ায় ব্যাটারি স্টোরেজ বা বিদ্যুৎ ধরে রাখার ব্যবস্থা থাকা আবশ্যক হলেও আমদানি নীতিতে কড়াকড়ি থাকায় ব্যবসায়ীরা সংকটে পড়ছেন।

মোহাম্মদ হাতেম আরও বলেন, কয়েক ঘণ্টার লোডশেডিং সামাল দিতে সোলারকে জেনারেটর মোডে পরিচালনার জন্য ব্যাটারি প্রয়োজন। তাই বিদ্যুৎ ঘাটতি নিজেরাই সামাল দিতে আমদানি নীতিমালা সহজ করার দাবি জানান তিনি। এসময় চট্টগ্রাম বন্দরে সোলার প্যানেলের মাউন্টিং স্ট্রাকচারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আটকে থাকার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, পূর্ব সিদ্ধান্ত থাকা সত্ত্বেও কাস্টমস ছাড় না দেওয়ায় একটি প্রতিষ্ঠানকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পোর্ট ডেমারেজ বা জরিমানা গুনতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর তা বাস্তবায়ন না হওয়া অনভিপ্রেত এবং বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে। তিনি নতুন প্রস্তাবনাগুলো পর্যালোচনার প্রতিশ্রুতি দেন।

আলোচনায় পোশাক খাতের সাব-কন্ট্রাক্ট ব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা নিয়েও কথা বলেন বিকেএমইএ নেতা। তিনি জানান, উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে সাব-কন্ট্রাক্ট জরুরি হলেও পূর্বানুমতির বাধ্যবাধকতা ও পণ্য পরিবহনে ভ্যাট কর্মকর্তাদের হয়রানির কারণে এই ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জবাবে এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, দেশের অর্থনীতিতে মূল্য সংযোজন করে এমন ক্ষেত্রে কোনো অহেতুক জটিলতা রাখা হবে না, তবে সেক্ষেত্রে যৌক্তিক প্রমাণ দাখিল করতে হবে।

বাজেট প্রস্তাবে বিকেএমইএ আগামী পাঁচ বছরের জন্য রপ্তানির বিপরীতে উৎসে কর ০.৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখার আবেদন জানিয়েছে। এছাড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সুরক্ষায় সাব-কন্ট্রাক্টের উৎসে কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা, কৃত্রিম তন্তু আমদানিতে ভ্যাট সুবিধা বহাল রাখা এবং রিসাইকেলড ফাইবার বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য সুতা উৎপাদনে ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।

ads

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ