সোমবার, 5 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

নীতি নির্ধারণে বাস্তবসম্মত সমাধান ও তথ্যের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি: অর্থমন্ত্রী

নীতি নির্ধারণে বাস্তবসম্মত সমাধান ও তথ্যের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। অর্থমন্ত্রণালয়ে আমাদের প্রতিনিয়ত এরকম অপ্রত্যাশার মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে সীমিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।”

নীতি নির্ধারণে বাস্তবসম্মত সমাধান ও তথ্যের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি: অর্থমন্ত্রী
চিত্র: সংগৃহীত

বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা এখন ‘নতুন স্বাভাবিক অবস্থা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এমন পরিস্থিতিতে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে নীতি নির্ধারণ করা অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শনিবার ঢাকায় অর্থনীতিবিষয়ক প্রতিযোগিতা ‘ইকনথন ২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “বিশ্বব্যাপী মন্থর প্রবৃদ্ধি, ঋণের উচ্চ ব্যয় এবং বাণিজ্যিক সংরক্ষণবাদের এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে সঠিক ও তথ্যনির্ভর নীতি নির্ধারণই অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি।”

তিনি বলেন, “নীতি নির্ধারণে বাস্তবসম্মত সমাধান ও তথ্যের সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। অর্থমন্ত্রণালয়ে আমাদের প্রতিনিয়ত এরকম অপ্রত্যাশার মুখোমুখি হতে হয়, যেখানে সীমিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।”

বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্বালানির দাম, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। এই চাপ মোকাবিলায় সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, “জনগণের করের প্রতিটি টাকার স্বচ্ছতা ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা আমাদের অগ্রাধিকার।”

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) অর্থনীতি বিভাগের সহযোগিতায় জাতীয় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিষয়ক প্রতিযোগিতা ‘ইকনথন ২০২৬’-এর গ্র্যান্ড ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জুনিয়র ইকোনমিস্টস ফোরাম (জেইএফ)।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “দক্ষতা ছাড়া কোনো জাতি এগোতে পারে না এবং সততা ও মানবিকতা ছাড়া সেই দক্ষতা সমাজকে সঠিক পথ দেখাতে পারে না। অর্থনীতি শুধু পরীক্ষা পাসের জন্য নয়, একে অনুধাবন করতে হবে এবং দেশের সেবায় নীতি ও সততার সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।”

এ প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২২৪টি দল নিবন্ধন করে।

অনুষ্ঠানে ইউআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ও ইউনাইটেড গ্রুপের প্রধান উপদেষ্টা হাসান মাহমুদ রাজা এবং ইউআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ও ইউনাইটেড গ্রুপের উপদেষ্টা কে এম এ শামীম উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক মো. আবুল কাশেম মিয়া। সমাপনী পর্বে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অর্থমন্ত্রী।