সোমবার, 12 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

‎শ্রীনগরে গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ, অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে অতিরিক্ত ১১ থেকে ১২ শতাংশ সুদ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ ও আত্মসাতের অভিযোগে অগ্রণী ব্যাংকের এক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার মো. শরিফুজ্জামান সোহাগ (৪৩) অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির শ্রীনগর শাখায় অফিসার ক্যাশ পদে কর্মরত ছিলেন।

‎শ্রীনগরে গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ, অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে অতিরিক্ত ১১ থেকে ১২ শতাংশ সুদ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ ও আত্মসাতের অভিযোগে অগ্রণী ব্যাংকের এক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার মো. শরিফুজ্জামান সোহাগ (৪৩) অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির শ্রীনগর শাখায় অফিসার ক্যাশ পদে কর্মরত ছিলেন।
‎
‎বুধবার দুপুরে মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
‎
‎পুলিশ জানায়, ২০১৯ সাল থেকে শ্রীনগর বাজারের শ্রীনগর প্লাজার দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির শ্রীনগর শাখায় কর্মরত ছিলেন শরিফুজ্জামান সোহাগ। দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন গ্রাহককে অতিরিক্ত ১১ থেকে ১২ শতাংশ সুদ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তিনি টাকা সংগ্রহ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
‎
‎পুলিশের ভাষ্য, ব্যক্তিগত সিল ও ব্যাংকের ভাউচার ব্যবহার করে গ্রাহকদের গচ্ছিত বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। অর্থ আত্মসাতের পর গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি আত্মগোপনে চলে যান।
‎
‎মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার মিরপুর মডেল থানার মধ্য পাইকপাড়ায় বোনের বাসা থেকে শরিফুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
‎
‎গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে নগদ ১ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টাকা, তিনটি মুঠোফোন, একটি চেকবই, দুটি এটিএম কার্ড ও একটি ব্যাংক লকারের চাবি উদ্ধার করা হয়।
‎
‎পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শরিফুজ্জামান নিজের পরিচয় ও ঠিকানা প্রকাশ করলেও আত্মসাৎ করা টাকার পরিমাণ এবং অর্থের অবস্থান সম্পর্কে সন্তোষজনক তথ্য দিতে পারেননি।
‎
‎আত্মসাৎ করা অর্থের প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, ঢাকা থেকে তিন সদস্যের একটি নিরীক্ষা দল গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
‎
‎ঘটনাটি দুর্নীতি দমন কমিশনের তফসিলভুক্ত অপরাধ হওয়ায় দুদকও বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
‎
‎মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম, পিপিএম বলেন, গ্রাহকদের আমানতের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে একজন ব্যাংক কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আত্মসাতের প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণে অডিট ও তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তদন্তে সংশ্লিষ্ট অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।