বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা অর্ণব রিমান্ডে

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে অভিযুক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হল ছাত্রদলের সাবেক নেতা মাহি চৌধুরী অর্ণবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা অর্ণব রিমান্ডে
ছবিঃ সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে অভিযুক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হল ছাত্রদলের সাবেক নেতা মাহি চৌধুরী অর্ণবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাফরুল থানার এসআই মো. সাজ্জাদ হোসেন সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করলে আদালত দুই দিনের অনুমতি দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি শামসুদ্দোহা সুমন।

এর আগে গত ৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তর ইব্রাহিমপুর এলাকা থেকে প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগীরা অর্ণবকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পরদিন ভুক্তভোগী সামসুল হক তুষার বাদী হয়ে অর্ণব ও তার বাবাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় একটি প্রতারণা মামলা করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের জুন মাস থেকে ফেসবুকের একটি গ্রুপের মাধ্যমে বাদীর বড় ভাই শাকিরুল ইসলাম হিমেলের সঙ্গে অর্ণবের পরিচয় হয়। নিজেকে একটি ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হিসেবে পরিচয় দিয়ে অর্ণব বিনিয়োগের বিপরীতে উচ্চ মুনাফার লোভ দেখান। তার আশ্বাসে বিশ্বাস করে হিমেল বিভিন্ন সময়ে নগদ ও ব্যাংকের মাধ্যমে সর্বমোট ৩৮ লাখ ২৮ হাজার ১৫০ টাকা প্রদান করেন। তবে পাওনা টাকা বা লভ্যাংশ পরিশোধ না করে অর্ণব আত্মগোপনে চলে যান। সর্বশেষ ৪ এপ্রিল টাকা ফেরত চাইলে উল্টো ভুক্তভোগীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়।

পুলিশের রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি সুসংগঠিত প্রতারক চক্রের কাজ। আত্মসাৎ করা বিশাল অংকের অর্থ কোথায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং এই চক্রের সঙ্গে আর কারা নেপথ্যে জড়িত রয়েছে, তা উদ্ঘাটন করতে আসামিকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় আটকের পরপরই অর্ণবকে ছাত্রদলের দলীয় পদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।