রবিবার, 20 সেপ্টেম্বর 2026
সকল বিভাগ

বন্যায় পাশে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

বালেন্দ্র শাহ উল্লেখ করেন, ঢাকার তরফ থেকে প্রেরিত এই জরুরি আর্থিক সাহায্য তাদের বর্তমান মানবিক ত্রাণ কার্যক্রম এবং দুর্যোগ-উত্তর পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

বন্যায় পাশে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় জনপদে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও বিধ্বংসী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জরুরি মানবিক সহায়তা এবং পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ১০ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান দেওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ

সম্প্রতি প্রেরিত এক আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক বার্তায় নেপালের সরকারপ্রধান স্মরণ করিয়ে দেন যে, গেল ২৬ আগস্টের প্রলয়ংকরী বন্যায় দেশটিতে বহু মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি ঘরবাড়ি, নাগরিক অবকাঠামো ও সাধারণ মানুষের উপার্জনের উৎসে বিরাট বিপর্যয় নেমে এসেছে।

বালেন্দ্র শাহ উল্লেখ করেন, ঢাকার তরফ থেকে প্রেরিত এই জরুরি আর্থিক সাহায্য তাদের বর্তমান মানবিক ত্রাণ কার্যক্রম এবং দুর্যোগ-উত্তর পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে কার্যকরভাবে এগিয়ে নিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

প্রেরিত বার্তায় তিনি ২৭ আগস্ট বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নেপালের বন্যায় প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের স্মরণে গৃহীত আনুষ্ঠানিক শোক প্রস্তাবের কথাও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, বাংলাদেশের আইনসভার এই পদক্ষেপ নেপালি নাগরিকদের প্রতি ঢাকার আন্তরিক সহানুভূতি এবং সুদৃঢ় সংহতির এক অনন্য নিদর্শন।

উভয় রাষ্ট্রের দীর্ঘস্থায়ী মৈত্রীর ওপর জোর দিয়ে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কেবল নিকটবর্তী প্রতিবেশীই নয়, বরং এক অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও আপন অংশীদার। দুই ভূখণ্ডের মানুষের পারস্পরিক সুসম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আগামী দিনে দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্বের পরিধিকে আরও বেশি সুদৃঢ় করবে।

উল্লেখ্য, গেল ৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর জরুরি দুর্যোগ তহবিলে সরাসরি ১০ লাখ মার্কিন ডলার অর্থ সহায়তা হস্তান্তর করা হয়, যা মূলত পুনর্বাসন, ত্রাণ বিতরণ ও সামগ্রিক মানবিক সহায়তার উদ্দেশ্যে বরাদ্দ করা হয়েছে।

প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা এবং আর্তমানবতার সেবায় নেওয়া এই পদক্ষেপকে দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের পারস্পরিক আস্থা এবং দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের সুদৃঢ় ভ্রাতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।