স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করে জানানো হয়, সদ্য বিদায়ী ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় উপসর্গজনিত কারণে প্রাণহানি ঘটলেও নিশ্চিতভাবে হাম চিহ্নিত হয়ে নতুন কোনো শিশুর মারা যাওয়ার খবর মেলেনি।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৩৪ জন শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। পাশাপাশি চিকিৎসাগারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া হাম আক্রান্ত ৯৯ জন শিশু মৃত্যুবরণ করেছে। সব মিলিয়ে গত কয়েক মাসে এই প্রাদুর্ভাবের কারণে মোট ৯৩৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এক দিনে দেশে নতুন করে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৩১ জন শিশু এবং উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছে ১ হাজার ৯৭ জন। আক্রান্তের চাপ বাড়ায় ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি করা হয়েছে ১ হাজার ২৬ জন শিশুকে, বিপরীতে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছাড়তে সক্ষম হয়েছে ৮২৪ জন।
অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত দেশে সন্দেহভাজন আক্রান্ত শিশুর মোট সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫০৩ জনে। এর মধ্যে ল্যাব পরীক্ষার ভিত্তিতে ১৮ হাজার ৪০৪ জনের শরীরে চূড়ান্তভাবে হামের উপস্থিতি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এ পর্যন্ত ১ লাখ ৩০ হাজার ৬০৯ জন আক্রান্ত শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ইতোমধ্যে ছাড়পত্র নিয়ে আবাসে ফিরেছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৭৫ জন।