রবিবার, 20 সেপ্টেম্বর 2026
সকল বিভাগ

ঢাকা ও কুয়ালালামপুরের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে বৈঠক অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার বিদ্যমান সুদৃঢ় বন্ধুত্বকে নতুন উচ্চতায় রূপান্তর করতে বর্তমান সরকার গভীরভাবে আগ্রহী বলে প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

ঢাকা ও কুয়ালালামপুরের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে বৈঠক অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার বিদ্যমান সুদৃঢ় বন্ধুত্বকে নতুন উচ্চতায় রূপান্তর করতে বর্তমান সরকার গভীরভাবে আগ্রহী বলে প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান

দুই রাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতসমূহ—যেমন শ্রমবাজার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তি, নাগরিক পরিকাঠামো, শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রসারে পারস্পরিক অংশীদারত্ব বাড়ানোর প্রতি বিশেষ নজর দেন তিনি।


আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে সফররত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা বিন ওসমানের সাথে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এসব বিষয়ে বিশদ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

আলোচনার শুরুতে বাংলাদেশের সরকারের প্রধানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরটি চরম সফল ও অর্থবহ হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন মালয়েশীয় কূটনীতিক। পরবর্তীতে দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের বহুমুখী সম্পর্কের নানান গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র নিয়ে গভীর পর্যালোচনা করা হয়।

বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায় মালয়েশিয়ার বাজারে বাংলাদেশি জনশক্তি প্রেরণ, সেখানে কর্মরত অনিবন্ধিত কর্মীদের আইনি কাঠামোর আওতায় আনা, দেশীয় দক্ষ প্রকৌশলীদের কাজের সুযোগ তৈরি এবং যৌথ উদ্যোগে আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার বিষয়সমূহ। পাশাপাশি বাংলাদেশি তরুণদের জন্য মালয়েশীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার দুয়ার প্রসারিত করা, সবুজ জ্বালানি প্রযুক্তিতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং ক্রীড়া পণ্য উৎপাদনের মতো উদীয়মান খাতগুলোতে কারিগরি সহযোগিতা বৃদ্ধির কথা উঠে আসে।

এছাড়াও পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক যানবাহন আমদানি, নির্মাণ শিল্প এবং বৈশ্বিক হালাল খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ বাণিজ্য জোরদারে উভয় দেশের অর্থনৈতিক মেলবন্ধন আরও সুসংহত করার কৌশল নিয়ে ফলপ্রসূ কথা হয়।

বহুদিনের ঐতিহাসিক ও কৌশলগত সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে দুই দেশের বন্ধনকে আরও কার্যকর ও লাভজনক অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে পরিণত করতে একই ধরনের ইচ্ছাপোষণ করেছে ঢাকা ও কুয়ালালামপুর।

অন্যান্যদের মাঝে উক্ত উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ।