বৃহস্পতিবার, 22 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

আওয়ামী লীগের সব বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে জামায়াত : রাশেদ খান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির পুরোপুরি একনায়কতন্ত্র ও নিপীড়নমূলক ধারায় প্রবেশ করেছে বলে কড়া মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।

আওয়ামী লীগের সব বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে জামায়াত : রাশেদ খান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির পুরোপুরি একনায়কতন্ত্র ও নিপীড়নমূলক ধারায় প্রবেশ করেছে বলে কড়া মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।

তার মতে, বর্তমানে জামায়াত যেন সাবেক ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক আচরণের হুবহু রূপ ধারণ করেছে।


রোববার দিবাগত রাতে নিজের নিবন্ধিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পাতায় এক দীর্ঘ বার্তায় তিনি এসব কথা জানান।

প্রকাশিত বার্তায় রাশেদ খান উল্লেখ করেন, সার্বিক পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করলে স্পষ্ট বোঝা যায় জামায়াত-শিবির এক ধরনের শক্তিপ্রদর্শনকারী সত্তায় রূপ নিয়েছে। কুষ্টিয়ার স্থানীয় একটি ঘটনায় গণঅধিকার পরিষদের সদস্যদের আহত করার পর পুনরায় লাঠিসোঁটা ও বিভিন্ন দেশীয় উপাদানসহ প্রভাব বিস্তারের মহড়া দেওয়ার ঘটনাকে তিনি কঠোর ভাষায় উপস্থাপন করেন।

বিরোধী দলের রাজনৈতিক আচরণের পরিবর্তন নিয়ে তিনি বলেন, ইতিপূর্বে দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে সব সময় নিপীড়িত এবং বিনয়ী ভূমিকায় দেখা গেলেও বর্তমানে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জামায়াত আওয়ামী লীগের যাবতীয় নেতিবাচক প্রবণতা আপন করে নিয়েছে। এ ধারার সংগঠন যদি কোনো দিন রাষ্ট্রীয় পরিচালনায় আসার সুযোগ পায়, তবে তারা ভিন্নমত প্রকাশের কোনো সুযোগই অবশিষ্ট রাখবে না বলে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন।

এই পরিস্থিতিতে সংঘাতপূর্ণ রাজনীতির মুখে অটল থাকার জন্য গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দকে সাধুবাদ জানান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। বিশেষ করে সংগঠনের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন দলের অভ্যন্তরে জামায়াত ঘেঁষা প্রবণতা ঠেকানোর যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তাকে তিনি দূরদর্শী পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দেন।

একই সাথে গণঅধিকার পরিষদকে জড়িয়ে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্বের সাম্প্রতিক নানা মন্তব্যকে অনভিপ্রেত উল্লেখ করে তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।

রাশেদ খান দাবি করেন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং স্বৈরাচারী ব্যবস্থা পতনের লড়াইয়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের চেয়ে গণঅধিকার পরিষদের সরাসরি অবদান কোনো অংশে কম নয়। অতীতে জামায়াত যখন কৌশলগতভাবে প্রকাশ্য রাজনীতির বাইরে ছিল, তখন গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা রাজপথে সোচ্চার ছিলেন। তাই ইতিহাস বিকৃত করে নিজেদের একক কৃতিত্ব দাবি করার রাজনৈতিক আস্ফালন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।