খেলার শুরুর দিকে অবশ্য আর্জেন্টিনা কিছুটা রক্ষণাত্মক চাপের মুখে পড়েছিল, এমনকি ম্যাচের প্রথম ভাগেই একটি সহজ সুযোগ হাতছাড়া করে আইসল্যান্ড। তবে সেই ভুলের খেসারত তাদের দ্রুতই দিতে হয়। ম্যাচের অষ্টম মিনিটে দূরপাল্লা থেকে নেওয়া এক চোখধাঁধানো শটে আর্জেন্টিনাকে প্রথমার্ধেই লিড এনে দেন তরুণ তারকা ভ্যালেন্তিন বারকো।
মধ্যবিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে প্রবেশ করেই খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেন আর্জেন্টিনার দলনেতা লিওনেল মেসি। মাঠে নামার পর মুহূর্তের মধ্যেই তাঁর বাড়ানো একটি নিখুঁত পাস ধরে ডি-বক্সে পেনাল্টি আদায় করে নেন স্ট্রাইকার লাওতারো মার্তিনেজ। সফল স্পট কিক থেকে বল জালে জড়িয়ে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করতে কোনো ভুল করেননি মেসি।
খেলার শেষ বাঁশি বাজার কিছু আগে মেসি ও মার্তিনেজের চমৎকার বোঝাপড়া এবং পাসিংয়ের ওপর ভর করে আইসল্যান্ডের রক্ষণভাগ ভেঙে তৃতীয় গোলটি করেন থিয়াগো আলমাদা। তাঁর এই গোলের ওপর ভর করেই আর্জেন্টিনার ৩-০ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত হয়।
বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞ শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে এমন দাপুটে পারফরম্যান্স আর্জেন্টাইন শিবিরের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ মঞ্চে আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্ব আসরে ১৭ জুন সকাল ৭টায় আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের মূল অভিযান শুরু করবে আর্জেন্টিনা।